০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

আওয়ামী লীগ গদি ধরে রাখতে বেপরোয়া : ফখরুল

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩
  • / ৫০ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ সরকার গদি ধরে রাখতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকা বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদসহ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মীকে অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গায়েবি মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা প্রমাণ করে কীভাবে বিচারবিভাগকে দখল করছে আওয়ামী লীগ সরকার।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জোর করে নিজেদের গদি ধরে রাখতে আদালতকে দিয়ে বিএনপি নেতাদের জামিন নামঞ্জুর এবং কারাগারে প্রেরণ করতে বেপরোয়া ও বেসামাল হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে এভাবে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন চালিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে দমন করা যাবে না।

বরং সরকারের এ ধরনের উন্মত্ত আচরণে বিএনপি নেতাকর্মীরা হতাশ না হয়ে আরও বেশি বলীয়ান হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে আইনের শাসন না থাকায় কারও জীবনেরই ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। বর্তমানে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত না হয়েও নির্দোষ মানুষকে অপরাধী বানিয়ে গায়েবি মামলা, গ্রেপ্তার, কারান্তরীণ, রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন ও হয়রানি করা হচ্ছে।

অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গায়েবি মামলায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদসহ নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতা মোশারফ মেম্বার, আতাউর মেম্বার, মাসুম শিকারি, মফিজুল ইসলাম, রিপন মেম্বার, আলী হোসেন, যুবদল নেতা ইমরান হোসেন, আসাদ এবং ছাত্রদল নেতা রনির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ সেই নির্যাতন ও হয়রানির নির্মম বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল তাদের কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারসহ তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ গদি ধরে রাখতে বেপরোয়া : ফখরুল

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

আওয়ামী লীগ সরকার গদি ধরে রাখতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকা বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদসহ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মীকে অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গায়েবি মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা প্রমাণ করে কীভাবে বিচারবিভাগকে দখল করছে আওয়ামী লীগ সরকার।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জোর করে নিজেদের গদি ধরে রাখতে আদালতকে দিয়ে বিএনপি নেতাদের জামিন নামঞ্জুর এবং কারাগারে প্রেরণ করতে বেপরোয়া ও বেসামাল হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে এভাবে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন চালিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামকে দমন করা যাবে না।

বরং সরকারের এ ধরনের উন্মত্ত আচরণে বিএনপি নেতাকর্মীরা হতাশ না হয়ে আরও বেশি বলীয়ান হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে আইনের শাসন না থাকায় কারও জীবনেরই ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। বর্তমানে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত না হয়েও নির্দোষ মানুষকে অপরাধী বানিয়ে গায়েবি মামলা, গ্রেপ্তার, কারান্তরীণ, রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন ও হয়রানি করা হচ্ছে।

অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গায়েবি মামলায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদসহ নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতা মোশারফ মেম্বার, আতাউর মেম্বার, মাসুম শিকারি, মফিজুল ইসলাম, রিপন মেম্বার, আলী হোসেন, যুবদল নেতা ইমরান হোসেন, আসাদ এবং ছাত্রদল নেতা রনির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ সেই নির্যাতন ও হয়রানির নির্মম বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল তাদের কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারসহ তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।