০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

আনুশকার মেয়েকে ধর্ষণের হুমকির মামলায় যে রায় দিলো আদালত

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৬৫ বার পড়া হয়েছে

তারকা দম্পতি বিরাট-আনুষ্কার মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকির মামলার রায় দিয়েছে আদালত। রামনাগেশ আলিবাতিনি নামের এক ব্যক্তি এই স্টারকিডকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিলেন।

সোমবার (১০ এপ্রিল) বোম্বের হাইকোর্ট রামনাগেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এফআইআর ও চার্জশিট খারিজ করে দেয়। বিচারপতি গড়কড়ি এবং বিচারপতি পিডি নায়েকের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় ভারত। আর তখনই বিরাটের মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়েছিলেন রামনাগেশ। পরে এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা গেছে, তিনি পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। হায়দরাবাদের একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। কিন্তু পিএইচডি করার জন্য চাকরি থেকে ইস্তফা দেন তিনি। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিরাটের ম্যানেজার আকিল্লা ডি সুজা। কিন্তু অভিযুক্ত ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাটি তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে খারিজ করে দেন আদালত। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি নিজের পক্ষে সাফাই দিয়ে জানান, তিনি জয়েন্ট পরীক্ষার টপার। দেশের নামি আইটি ফার্ম থেকে ইন্টার্নশিপ করেছেন।

তার বিরুদ্ধে এর আগে কখনও কোনো মামলা হয়নি। এই ফৌজদারি মামলা তার ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবে। এমনকি বিদেশে মাস্টার্স করার স্বপ্নও ভেঙে যাবে রামনাগেশের। পরে অভিযুক্তের আর্জিতে সাড়া দিয়ে ওই রায় দেন আদালত। আর এতে সম্মতি জানান বিরাটের ম্যানেজার।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

আনুশকার মেয়েকে ধর্ষণের হুমকির মামলায় যে রায় দিলো আদালত

আপডেট সময় ০৮:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

তারকা দম্পতি বিরাট-আনুষ্কার মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকির মামলার রায় দিয়েছে আদালত। রামনাগেশ আলিবাতিনি নামের এক ব্যক্তি এই স্টারকিডকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিলেন।

সোমবার (১০ এপ্রিল) বোম্বের হাইকোর্ট রামনাগেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এফআইআর ও চার্জশিট খারিজ করে দেয়। বিচারপতি গড়কড়ি এবং বিচারপতি পিডি নায়েকের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় ভারত। আর তখনই বিরাটের মেয়ে ভামিকাকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়েছিলেন রামনাগেশ। পরে এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা গেছে, তিনি পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। হায়দরাবাদের একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। কিন্তু পিএইচডি করার জন্য চাকরি থেকে ইস্তফা দেন তিনি। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিরাটের ম্যানেজার আকিল্লা ডি সুজা। কিন্তু অভিযুক্ত ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাটি তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে খারিজ করে দেন আদালত। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি নিজের পক্ষে সাফাই দিয়ে জানান, তিনি জয়েন্ট পরীক্ষার টপার। দেশের নামি আইটি ফার্ম থেকে ইন্টার্নশিপ করেছেন।

তার বিরুদ্ধে এর আগে কখনও কোনো মামলা হয়নি। এই ফৌজদারি মামলা তার ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবে। এমনকি বিদেশে মাস্টার্স করার স্বপ্নও ভেঙে যাবে রামনাগেশের। পরে অভিযুক্তের আর্জিতে সাড়া দিয়ে ওই রায় দেন আদালত। আর এতে সম্মতি জানান বিরাটের ম্যানেজার।