০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী কারাগারে

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৫৯ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও জুয়েলারি চুরি হয়েছে। এই ঘটনার মামলায় গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী শাকিলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম রশিদুল আলম এই নির্দেশ দেন।

এদিন গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে তাদের পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক ছাদেক মিয়া। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আগামী ২ মে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ন্যান্সির বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন তাহমিনা ও রিপা।

গত ৫ এপ্রিল বাসার কাউকে না জানিয়ে চলে যায় তারা। গত ১৮ এপ্রিল হঠাৎ ন্যান্সি দেখতে পান আলমারিতে তার দু’টি চেইন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ডায়মন্ডের লকেটসহ অনেক জুয়েলারি নেই। যার মূল্য প্রায় তিন লাখ ২১ হাজার টাকা। পরে এই ঘটনায় ন্যান্সির ভাই শাহরিয়ার আমান সানি গুলশান থানায় মামলা করেন। এ প্রসঙ্গে ন্যানসি বলেন, ‘আমার বাসায় তাহমিনা নামের মেয়েটির ঈদ পর্যন্ত কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু ৫ এপ্রিল সে হঠাৎ জানায়, কাজ করতে পারবে না। কারণ হিসেবে তার অসুস্থতার কথা বলে।

কিন্তু আমি চিকিৎসার জন্য সাহায্য করব বললেও তাহমিনা বিভিন্ন অজুহাতে কাজ ছেড়ে দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের আগে ঘর গোছাতে গিয়ে দেখি, স্বর্ণপদক ও আমার আরও কিছু জুয়েলারি নেই। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে তাহমিনার বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায় তাহমিনা চুরি করেছে।’

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী কারাগারে

আপডেট সময় ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও জুয়েলারি চুরি হয়েছে। এই ঘটনার মামলায় গৃহকর্মী তাহমিনা ও তার স্বামী শাকিলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম রশিদুল আলম এই নির্দেশ দেন।

এদিন গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে তাদের পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক ছাদেক মিয়া। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আগামী ২ মে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ন্যান্সির বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন তাহমিনা ও রিপা।

গত ৫ এপ্রিল বাসার কাউকে না জানিয়ে চলে যায় তারা। গত ১৮ এপ্রিল হঠাৎ ন্যান্সি দেখতে পান আলমারিতে তার দু’টি চেইন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ডায়মন্ডের লকেটসহ অনেক জুয়েলারি নেই। যার মূল্য প্রায় তিন লাখ ২১ হাজার টাকা। পরে এই ঘটনায় ন্যান্সির ভাই শাহরিয়ার আমান সানি গুলশান থানায় মামলা করেন। এ প্রসঙ্গে ন্যানসি বলেন, ‘আমার বাসায় তাহমিনা নামের মেয়েটির ঈদ পর্যন্ত কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু ৫ এপ্রিল সে হঠাৎ জানায়, কাজ করতে পারবে না। কারণ হিসেবে তার অসুস্থতার কথা বলে।

কিন্তু আমি চিকিৎসার জন্য সাহায্য করব বললেও তাহমিনা বিভিন্ন অজুহাতে কাজ ছেড়ে দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের আগে ঘর গোছাতে গিয়ে দেখি, স্বর্ণপদক ও আমার আরও কিছু জুয়েলারি নেই। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে তাহমিনার বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায় তাহমিনা চুরি করেছে।’