০১:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

কাউকে কান-মুখ খোলা রাখতে বাধ্য করা যাবে না: হাইকোর্ট

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
  • / ৬৭ বার পড়া হয়েছে

প্রত্যেক মানুষের স্ব স্ব ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। এটাই আমাদের সংবিধানের স্পিরিট। কাউকে কানসহ মুখ খোলা রাখতে বাধ্য করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলকালে নারী শিক্ষার্থীদের কানসহ মুখ দৃশ্যমান রাখার নোটিশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ঢাবির বাংলা বিভাগ থেকে সব পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশনের সময় নারী শিক্ষার্থীদের মুখ দৃশ্যমান রাখতে হবে উল্লেখ করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়।

পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী তিন শিক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ এ রিট দায়ের করেন। ঢাবি ভিসি, বাংলা বিভাগের প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

কাউকে কান-মুখ খোলা রাখতে বাধ্য করা যাবে না: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

প্রত্যেক মানুষের স্ব স্ব ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। এটাই আমাদের সংবিধানের স্পিরিট। কাউকে কানসহ মুখ খোলা রাখতে বাধ্য করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলকালে নারী শিক্ষার্থীদের কানসহ মুখ দৃশ্যমান রাখার নোটিশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ঢাবির বাংলা বিভাগ থেকে সব পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশনের সময় নারী শিক্ষার্থীদের মুখ দৃশ্যমান রাখতে হবে উল্লেখ করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়।

পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী তিন শিক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ এ রিট দায়ের করেন। ঢাবি ভিসি, বাংলা বিভাগের প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।