০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কে নির্বাচন বানচাল করতে আসে, দেখব : কাদের

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন করতে দেবে না বলে যারা হুমকি দেয় তাদের দেখে নেবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রোববার (১৪ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমন্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে বিএনপি আসবে কি না এটা তাদের ইচ্ছা। কিন্তু নির্বাচন করতে দেবে না, রুখে দেবে বলে সংকল্প ব্যক্ত করে, এমন হুমকিদাতাদের আমরাও দেখে নেব-কারা রুখে দেয়। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেব। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে চাই। সে কারণে দেশে শান্তির বার্তাবরণ বিরাজ করুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ও তার দোসররা রাজনৈতিক ঝড় তুলে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের কথা বলছে। বাস্তবতা হচ্ছে তাদের কোনো আন্দোলন করা, ঝড় তোলার সামর্থ্য নেই বলেই আজকে গলাবাজি করে নিজের অক্ষমতাকে ঢাকতে চাচ্ছে।’বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিদেশি দূতাবাসগুলোতে নালিশ করার প্রবণতা বিএনপির। দেশকে ছোট করে বিদেশিদের ইচ্ছায় বাংলাদেশে নির্বাচন হবে এমন অবান্তর ধারণা নিয়ে আছে বিএনপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কচুপাতার ওপর ভোরের শিশির বিন্দু নয়, বিএনপির যেকোনো কূটকৌশল সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে।’আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকে দেশ দুটি ধারায় বিভক্ত। একদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারা, অপরদিকে সাম্প্রদায়িক ধারা, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি।

‘বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের কর্মসূচিতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়নি। আজকে তাদের নেতা-কর্মীরা বুঝে গেছে, মুখের গলাবাজি বাস্তবে মরীচিকা। আন্দোলনের পথরেখা থেকে নিজেরা সরে গেছে। তাদের জোটে অনৈক্য। উইকেটের পতন ঘটছে। এখন ১৪ থেকে ১৫টা দল আছে মনে হয়। তাদের নেতা নেই। নেতা ছাড়া আন্দোলন দুঃস্বপ্ন। কী কর্মসূচি দেবে তা ভেবে তারা দিশেহারা।’

আওয়ামী লীগ সতর্ক আছে জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচন পর্যন্ত সারা দেশে নেতা-কর্মীরা পাহারায় থাকবে। তারা যতই হুমকি-ধমকি দিক, আমরা আমাদের কর্মসূচিতে অবিচল। ২০১৩-২০১৪ সালের মতো তারা আগুন সন্ত্রাসের কূটকৌশল নিয়ে এগোতে পারে, কিন্তু আমরা সতর্ক আছি। বাংলাদেশে শান্তি বিনষ্টকারী কূটকৌশল প্রতিরোধে আমরা সতর্ক।’

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

কে নির্বাচন বানচাল করতে আসে, দেখব : কাদের

আপডেট সময় ০২:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

নির্বাচন করতে দেবে না বলে যারা হুমকি দেয় তাদের দেখে নেবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রোববার (১৪ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমন্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে বিএনপি আসবে কি না এটা তাদের ইচ্ছা। কিন্তু নির্বাচন করতে দেবে না, রুখে দেবে বলে সংকল্প ব্যক্ত করে, এমন হুমকিদাতাদের আমরাও দেখে নেব-কারা রুখে দেয়। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেব। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে চাই। সে কারণে দেশে শান্তির বার্তাবরণ বিরাজ করুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ও তার দোসররা রাজনৈতিক ঝড় তুলে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের কথা বলছে। বাস্তবতা হচ্ছে তাদের কোনো আন্দোলন করা, ঝড় তোলার সামর্থ্য নেই বলেই আজকে গলাবাজি করে নিজের অক্ষমতাকে ঢাকতে চাচ্ছে।’বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিদেশি দূতাবাসগুলোতে নালিশ করার প্রবণতা বিএনপির। দেশকে ছোট করে বিদেশিদের ইচ্ছায় বাংলাদেশে নির্বাচন হবে এমন অবান্তর ধারণা নিয়ে আছে বিএনপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কচুপাতার ওপর ভোরের শিশির বিন্দু নয়, বিএনপির যেকোনো কূটকৌশল সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে।’আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকে দেশ দুটি ধারায় বিভক্ত। একদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারা, অপরদিকে সাম্প্রদায়িক ধারা, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি।

‘বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের কর্মসূচিতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়নি। আজকে তাদের নেতা-কর্মীরা বুঝে গেছে, মুখের গলাবাজি বাস্তবে মরীচিকা। আন্দোলনের পথরেখা থেকে নিজেরা সরে গেছে। তাদের জোটে অনৈক্য। উইকেটের পতন ঘটছে। এখন ১৪ থেকে ১৫টা দল আছে মনে হয়। তাদের নেতা নেই। নেতা ছাড়া আন্দোলন দুঃস্বপ্ন। কী কর্মসূচি দেবে তা ভেবে তারা দিশেহারা।’

আওয়ামী লীগ সতর্ক আছে জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচন পর্যন্ত সারা দেশে নেতা-কর্মীরা পাহারায় থাকবে। তারা যতই হুমকি-ধমকি দিক, আমরা আমাদের কর্মসূচিতে অবিচল। ২০১৩-২০১৪ সালের মতো তারা আগুন সন্ত্রাসের কূটকৌশল নিয়ে এগোতে পারে, কিন্তু আমরা সতর্ক আছি। বাংলাদেশে শান্তি বিনষ্টকারী কূটকৌশল প্রতিরোধে আমরা সতর্ক।’