০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

গোপালগঞ্জে উৎপাদিত সবজি গণভবনে

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৬৪ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও কোটালিপাড়ার পতিত জমিতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল গণভবনে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবজিগুলো গ্রহণ করেছেন। বুধবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এর বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।

পোস্টে তিনি লিখেন, বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া ও কোটালিপাড়ার পতিত জমিতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল সকালে গণভবনে আনা হলে সেগুলো পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি (শনিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের পুবের বিলের পৈতৃক জমি পরিদর্শন করেন।

জলাভূমির অন্তর্গত এ অঞ্চলের জমিগুলো বছরের ৮ থেকে ৯ মাস পানির নিচে থাকে। ভাসমান বেডে সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষ করার জন্য এসব জমি উপযোগী করার নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। এ সময় দেশের সব অনাবাদি জমি চাষাবাদের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথাও এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে উৎপাদিত সবজি গণভবনে

আপডেট সময় ০৯:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও কোটালিপাড়ার পতিত জমিতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল গণভবনে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবজিগুলো গ্রহণ করেছেন। বুধবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এর বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।

পোস্টে তিনি লিখেন, বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া ও কোটালিপাড়ার পতিত জমিতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল সকালে গণভবনে আনা হলে সেগুলো পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি (শনিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের পুবের বিলের পৈতৃক জমি পরিদর্শন করেন।

জলাভূমির অন্তর্গত এ অঞ্চলের জমিগুলো বছরের ৮ থেকে ৯ মাস পানির নিচে থাকে। ভাসমান বেডে সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষ করার জন্য এসব জমি উপযোগী করার নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। এ সময় দেশের সব অনাবাদি জমি চাষাবাদের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথাও এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে।