১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৯৬ বার পড়া হয়েছে

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এই আইনের সঠিক ব্যবহার ও জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বনানীতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড দেশের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিতর্ক’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। আনিসুল হক বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের কাছে যে সুপারিশমালা পাঠিয়েছে, তাতে আইনটির ২১ ও ২৮ নং ধারা পুরোপুরি বাতিল এবং আটটি ধারা সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের টিমের সঙ্গে আমাদের দেশের একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। আলোচনা করে তারা একটি টেকনিক্যাল নোট পাঠিয়েছেন। টিমের পক্ষ থেকে ২১ ধারা বাতিল করে দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু সেটি আমার পক্ষে সম্ভব না। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের বাস্তবতায় ২১ ধারা প্রয়োজন রয়েছে। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটা যে উদ্দেশ্য করা হয়েছিল সে রকম চলছে না। আইনটির কিছু অপব্যবহার হয়েছে। তবে এ আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে, যা আপনারা সবাই স্বীকার করছেন।

একটা গোষ্ঠী আছে, যারা এই আইনটিকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে প্রচার করে। আমি নিশ্চিতভাবে বলছি, তারা এই আইন নিয়ে জনগণের কাছে যায় না। তারা ওয়াশিংটন ডিসি, ব্রাসেলস এবং জেনেভায় গিয়ে বলে এই আইনটা খারাপ। তারা এখানে বলে না। কারণ তারা জানে যে, এখানে বললে হালে পানি পাওয়া যাবে না। আমি বলব, এই আইনটি সংখ্যালঘুদের আঘাত রোধের জন্য নয়, এটি সারাদেশের জনগণের জন্য।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এই আইনের সঠিক ব্যবহার ও জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বনানীতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড দেশের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিতর্ক’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। আনিসুল হক বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের কাছে যে সুপারিশমালা পাঠিয়েছে, তাতে আইনটির ২১ ও ২৮ নং ধারা পুরোপুরি বাতিল এবং আটটি ধারা সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের টিমের সঙ্গে আমাদের দেশের একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। আলোচনা করে তারা একটি টেকনিক্যাল নোট পাঠিয়েছেন। টিমের পক্ষ থেকে ২১ ধারা বাতিল করে দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু সেটি আমার পক্ষে সম্ভব না। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের বাস্তবতায় ২১ ধারা প্রয়োজন রয়েছে। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটা যে উদ্দেশ্য করা হয়েছিল সে রকম চলছে না। আইনটির কিছু অপব্যবহার হয়েছে। তবে এ আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে, যা আপনারা সবাই স্বীকার করছেন।

একটা গোষ্ঠী আছে, যারা এই আইনটিকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে প্রচার করে। আমি নিশ্চিতভাবে বলছি, তারা এই আইন নিয়ে জনগণের কাছে যায় না। তারা ওয়াশিংটন ডিসি, ব্রাসেলস এবং জেনেভায় গিয়ে বলে এই আইনটা খারাপ। তারা এখানে বলে না। কারণ তারা জানে যে, এখানে বললে হালে পানি পাওয়া যাবে না। আমি বলব, এই আইনটি সংখ্যালঘুদের আঘাত রোধের জন্য নয়, এটি সারাদেশের জনগণের জন্য।