০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ, রাজধানীজুড়ে যানজট

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৩৬ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ বাস, সিএনজি, রিকশা, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ যে যেভাবে পারছেন ছুটে চলছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।

অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে সড়কে যানবাহন বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীজুড়ে যানজট দেখা গেছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে জামালপুর যাচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মী নেওয়াজ শুভ। তিনি বলেন, রাস্তায় প্রচুর জ্যাম। তিন ঘণ্টায় পান্থপথ থেকে আব্দুল্লাহপুর আসলাম। আল্লাহ জানেন কখন বাড়ি ফিরতে পারব।

একটি কোম্পানিতে কর্মরত আফাজ মোল্লা বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা হলো মুগদা থেকে পোস্তগোলা যাবার উদ্দেশে বাসে উঠেছি। কিন্তু যাত্রাপথের অর্ধেকও পৌঁছাতে পারিনি। জানিনা কখন পৌঁছাব। দীর্ঘসময় ধরেই বন্ধ হয়ে আছে বাস। পবিত্র কদরের রাত। বাসায় গিয়ে নামাজ আদায় করব ভেবেছি। কিন্তু রাস্তাতেই সময় শেষ। ফরিদপুরগামী যাত্রী আক্তার বলেন, দুই ঘণ্টা আগে রামপুরা থেকে রাইদা পরিবহনে উঠেছি। এখন মাত্র কমলাপুরে আসলাম। আগে তো বাস ধীরগতি হলেও চলেছে কিন্তু এখন সামনেই এগুচ্ছে না। ভেবেছিলাম রাত ১০টার মধ্যে বাসায় পৌঁছাতে পারব। কিন্তু তা আর হলো না।

রাজশাহীগামী আরেক যাত্রী রানা দাস বলেন, গাড়িতে বসে থাকতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। সারাদিন রোজা রেখে এভাবে এত যানজট মাড়িয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর। পরিবারের অন্য সদস্যরা আগে বাসায় গেলেও আমার কিছু কাজ থাকায় যেতে পারিনি। কিন্তু এখন রাস্তায় ভীষণ ভোগান্তি। গরমে সবকিছু অসহ্য লাগছে। সড়কে যানবাহনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের চাপ সামাল দিতে যানবাহন বাড়িয়েছেন বিভিন্ন পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

মহাখালী বাসস্ট্যান্ডের হানিফ কাউন্টারের সেলস সুপারভাইজার সোহান বলেন, কর্তৃপক্ষ ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রুটে বাস বাড়িয়েছে। তবে ভাড়া অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আর ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে নজরদারি ও টহল বাড়িয়েছে পুলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে তাদেরকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ, রাজধানীজুড়ে যানজট

আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ বাস, সিএনজি, রিকশা, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ যে যেভাবে পারছেন ছুটে চলছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।

অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে সড়কে যানবাহন বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীজুড়ে যানজট দেখা গেছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে জামালপুর যাচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মী নেওয়াজ শুভ। তিনি বলেন, রাস্তায় প্রচুর জ্যাম। তিন ঘণ্টায় পান্থপথ থেকে আব্দুল্লাহপুর আসলাম। আল্লাহ জানেন কখন বাড়ি ফিরতে পারব।

একটি কোম্পানিতে কর্মরত আফাজ মোল্লা বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা হলো মুগদা থেকে পোস্তগোলা যাবার উদ্দেশে বাসে উঠেছি। কিন্তু যাত্রাপথের অর্ধেকও পৌঁছাতে পারিনি। জানিনা কখন পৌঁছাব। দীর্ঘসময় ধরেই বন্ধ হয়ে আছে বাস। পবিত্র কদরের রাত। বাসায় গিয়ে নামাজ আদায় করব ভেবেছি। কিন্তু রাস্তাতেই সময় শেষ। ফরিদপুরগামী যাত্রী আক্তার বলেন, দুই ঘণ্টা আগে রামপুরা থেকে রাইদা পরিবহনে উঠেছি। এখন মাত্র কমলাপুরে আসলাম। আগে তো বাস ধীরগতি হলেও চলেছে কিন্তু এখন সামনেই এগুচ্ছে না। ভেবেছিলাম রাত ১০টার মধ্যে বাসায় পৌঁছাতে পারব। কিন্তু তা আর হলো না।

রাজশাহীগামী আরেক যাত্রী রানা দাস বলেন, গাড়িতে বসে থাকতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। সারাদিন রোজা রেখে এভাবে এত যানজট মাড়িয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর। পরিবারের অন্য সদস্যরা আগে বাসায় গেলেও আমার কিছু কাজ থাকায় যেতে পারিনি। কিন্তু এখন রাস্তায় ভীষণ ভোগান্তি। গরমে সবকিছু অসহ্য লাগছে। সড়কে যানবাহনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের চাপ সামাল দিতে যানবাহন বাড়িয়েছেন বিভিন্ন পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

মহাখালী বাসস্ট্যান্ডের হানিফ কাউন্টারের সেলস সুপারভাইজার সোহান বলেন, কর্তৃপক্ষ ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রুটে বাস বাড়িয়েছে। তবে ভাড়া অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আর ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে নজরদারি ও টহল বাড়িয়েছে পুলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে তাদেরকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে।