০৬:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

তীব্র খাদ্য সংকটে উত্তর কোরিয়া

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩
  • / ৯১ বার পড়া হয়েছে

তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। কোনো বাধায় নাকি কিমকে দমাতে পারে না। তাই, এবার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডাকলেন, এই নেতা। পারমাণবিক অস্ত্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়া নানা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া লকডাউনে আরও চাপে পড়েছে দেশটির অর্থনীতি।

পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য উত্তর কোরিয়া বিশ্বের বুকে আলোচিত এক নাম। তারপরও দেশটির অভ্যন্তরের অধিকাংশ তথ্যই গোপন রাখা হয়। এমনকি উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা তার ব্যক্তিগত ও অন্যান্য পরিকল্পনার বিষয়েও সহজে কিছু বলেন না।

দক্ষিণ কোরিয়া বারবার বলে আসছে উত্তর কোরিয়া তীব্র খাদ্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি কোনোভাবেই স্বীকার করেনি উত্তর কোরিয়া। এবার দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন কৃষিবিষয়ক এক জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশটিতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তাই এই জরুরি বৈঠকের আয়োজন কিম প্রশাসনের।

রোববার কৃষি কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক এই বৈঠক। কিম জং উনের রাজনৈতিক দলের প্রথম কৃষি সম্পর্কিত বৈঠকও এটি। দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় কিম জং উন সরকারি কর্মকর্তাদের আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার নির্দেশনা দেন। বিশ্লেষকদের মতে, গেল কয়েক বছর উত্তর কোরিয়ায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া কোভিড লকডাউনেও দেশটির সীমানা বন্ধ থাকায় বাণিজ্য কমে যায়। পারমাণবিক অস্ত্রসহ ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণেও উত্তর কোরিয়া নানা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে।

উত্তর কোরিয়ার খাদ্য ঘাটতি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে ১৯৯০ সালের দুর্ভিক্ষের চেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২ কোটি ৫০ লাখ জনগোষ্ঠীর দেশটিতে বছরে খাদ্য চাহিদা ৫৫ লাখ টন। তবে গেল বছর উৎপাদন ছিল ৪৫ লাখ টন। খাদ্য ঘাটতি ১০ লাখ টন। তাই, কিম জং উনের সরকার সংকট মোকাবিলায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, সামনের দিনগুলোতে প্রমাণ হবে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র খাদ্য সংকটে উত্তর কোরিয়া

আপডেট সময় ০৭:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। কোনো বাধায় নাকি কিমকে দমাতে পারে না। তাই, এবার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডাকলেন, এই নেতা। পারমাণবিক অস্ত্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়া নানা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া লকডাউনে আরও চাপে পড়েছে দেশটির অর্থনীতি।

পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য উত্তর কোরিয়া বিশ্বের বুকে আলোচিত এক নাম। তারপরও দেশটির অভ্যন্তরের অধিকাংশ তথ্যই গোপন রাখা হয়। এমনকি উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা তার ব্যক্তিগত ও অন্যান্য পরিকল্পনার বিষয়েও সহজে কিছু বলেন না।

দক্ষিণ কোরিয়া বারবার বলে আসছে উত্তর কোরিয়া তীব্র খাদ্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি কোনোভাবেই স্বীকার করেনি উত্তর কোরিয়া। এবার দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন কৃষিবিষয়ক এক জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশটিতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তাই এই জরুরি বৈঠকের আয়োজন কিম প্রশাসনের।

রোববার কৃষি কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক এই বৈঠক। কিম জং উনের রাজনৈতিক দলের প্রথম কৃষি সম্পর্কিত বৈঠকও এটি। দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় কিম জং উন সরকারি কর্মকর্তাদের আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার নির্দেশনা দেন। বিশ্লেষকদের মতে, গেল কয়েক বছর উত্তর কোরিয়ায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া কোভিড লকডাউনেও দেশটির সীমানা বন্ধ থাকায় বাণিজ্য কমে যায়। পারমাণবিক অস্ত্রসহ ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণেও উত্তর কোরিয়া নানা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে।

উত্তর কোরিয়ার খাদ্য ঘাটতি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে ১৯৯০ সালের দুর্ভিক্ষের চেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২ কোটি ৫০ লাখ জনগোষ্ঠীর দেশটিতে বছরে খাদ্য চাহিদা ৫৫ লাখ টন। তবে গেল বছর উৎপাদন ছিল ৪৫ লাখ টন। খাদ্য ঘাটতি ১০ লাখ টন। তাই, কিম জং উনের সরকার সংকট মোকাবিলায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, সামনের দিনগুলোতে প্রমাণ হবে।