০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

তীব্র গরম, লোডশেডিং ও পানির সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১০:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১২৪ বার পড়া হয়েছে

ভয়াবহ তাপপ্রবাহে জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে লোডশেডিং ও পানির সংকটে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বৈশাখের প্রথম দিনও তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রির ওপরে।

চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রাজধানীর বাড্ডা, বনশ্রী, মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে লোডশেডিং ও পানির সংকট। এ অবস্থায় বয়স্ক ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আবদুস ছামাদ নামে মধ্য বাড্ডার এক বাসিন্দা বলেন, শনিবার সেহরির আগে ও পরে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। পরিবারের সবার ঘুমাতে ও সেহরি করতে কষ্ট হয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে যাব।

মিরপুরের বাসিন্দা শাকিল আহমেদ বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলেও তা এক ঘণ্টার আগেই চলে এসেছে। লোডশেডিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পানির সরবরাহেও সংকট দেখা দিয়েছে। ওয়াসার পানির পাইপ বসানোর কাজ চলমান থাকায় কোথাও কোথাও পানির সংকট হচ্ছে। এ ছাড়া রাজধানীর আদাবর, শেখেরটেক, মেহেদীবাগ, মনসুরাবাদ, মোহাম্মাদিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দারা পানির সংকটের কথা জানিয়েছেন।

উত্তর আদাবরের বাসিন্দা আয়েশা বেগম বলেন, রাতে কিছু সময়ের জন্য পানি থাকে। তখন বালতি, বোতল কিংবা জারে পানি সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। সকালে পানি না পাওয়ায় অন্য এলাকা থেকে পানি আনতে হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলে। আর তাপমাত্রা যখন ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে তাকে বলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র গরম, লোডশেডিং ও পানির সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় ১০:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩

ভয়াবহ তাপপ্রবাহে জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে লোডশেডিং ও পানির সংকটে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বৈশাখের প্রথম দিনও তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রির ওপরে।

চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রাজধানীর বাড্ডা, বনশ্রী, মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে লোডশেডিং ও পানির সংকট। এ অবস্থায় বয়স্ক ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আবদুস ছামাদ নামে মধ্য বাড্ডার এক বাসিন্দা বলেন, শনিবার সেহরির আগে ও পরে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। পরিবারের সবার ঘুমাতে ও সেহরি করতে কষ্ট হয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে যাব।

মিরপুরের বাসিন্দা শাকিল আহমেদ বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলেও তা এক ঘণ্টার আগেই চলে এসেছে। লোডশেডিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পানির সরবরাহেও সংকট দেখা দিয়েছে। ওয়াসার পানির পাইপ বসানোর কাজ চলমান থাকায় কোথাও কোথাও পানির সংকট হচ্ছে। এ ছাড়া রাজধানীর আদাবর, শেখেরটেক, মেহেদীবাগ, মনসুরাবাদ, মোহাম্মাদিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দারা পানির সংকটের কথা জানিয়েছেন।

উত্তর আদাবরের বাসিন্দা আয়েশা বেগম বলেন, রাতে কিছু সময়ের জন্য পানি থাকে। তখন বালতি, বোতল কিংবা জারে পানি সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। সকালে পানি না পাওয়ায় অন্য এলাকা থেকে পানি আনতে হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলে। আর তাপমাত্রা যখন ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে তাকে বলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়।