০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন জিয়া : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪১ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি এখন বাকশাল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সুভাষ সিংহ রায় গ্রন্থিত ‘বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ও বাকশাল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে প্রথমে বাকশালের সদস্য করা হয়নি। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানকে করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান ছিলেন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান, যে কারণে তাকে বাকশালের সদস্য করা হয়নি। পরে তিনি দরখাস্ত করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন।

বাকশালের পক্ষে নিবন্ধও লিখেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাই বাকশালের বিরুদ্ধে কথা বলার কোনো নৈতিক অধিকার বিএনপির নেই। স্বাধীনতার পর ছয়জন সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। পাটের গুদামে আগুন দেওয়া হচ্ছিল, হানাহানি চলছিল। যে কারণে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে একটি প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এমন পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বাকশাল গঠন করেছিলেন।

তিনি বলেন, বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন দলের নেতাকে সদস্য করা হয়েছিল। বাকশালের অধীনে গণতান্ত্রিক চর্চা অনেক ভালো হয়েছিল। এ সময়ে দুটি নির্বাচন হয়। এতে ময়মনসিংহের একটি উপনির্বাচনে তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছোটভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন। আরও একটি উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূলধারার প্রার্থী পরাজিত হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এই ব্যবস্থাটা সাময়িক। দেশ যখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার পর্যায়ে চলে যাবে, তখন এ ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটে যাবে। যখন বাকশাল গঠন করা হয়, তখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সেই বছর ১৯৭৫ সালে ১০ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছিল।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন জিয়া : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি এখন বাকশাল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সুভাষ সিংহ রায় গ্রন্থিত ‘বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ও বাকশাল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে প্রথমে বাকশালের সদস্য করা হয়নি। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানকে করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান ছিলেন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান, যে কারণে তাকে বাকশালের সদস্য করা হয়নি। পরে তিনি দরখাস্ত করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন।

বাকশালের পক্ষে নিবন্ধও লিখেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাই বাকশালের বিরুদ্ধে কথা বলার কোনো নৈতিক অধিকার বিএনপির নেই। স্বাধীনতার পর ছয়জন সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। পাটের গুদামে আগুন দেওয়া হচ্ছিল, হানাহানি চলছিল। যে কারণে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে একটি প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এমন পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বাকশাল গঠন করেছিলেন।

তিনি বলেন, বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন দলের নেতাকে সদস্য করা হয়েছিল। বাকশালের অধীনে গণতান্ত্রিক চর্চা অনেক ভালো হয়েছিল। এ সময়ে দুটি নির্বাচন হয়। এতে ময়মনসিংহের একটি উপনির্বাচনে তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছোটভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন। আরও একটি উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূলধারার প্রার্থী পরাজিত হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এই ব্যবস্থাটা সাময়িক। দেশ যখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার পর্যায়ে চলে যাবে, তখন এ ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটে যাবে। যখন বাকশাল গঠন করা হয়, তখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সেই বছর ১৯৭৫ সালে ১০ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছিল।