০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৫৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পিডিবির তথ্য মতে, মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। যা এ পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন। এর আগে, ২০২২ সালের ১৬ এপ্রিল দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট। রমজান ও গ্রীষ্মকাল বিবেচনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টার ফল এই নতুন উৎপাদনের রেকর্ড।

পিডিবির পরিচালক শামীম হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। অবশ্য উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন লাইনের স্বাভাবিক লসের কারণে উৎপাদিত বিদ্যুতের পুরোটা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ২০২২ সালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার মেগাওয়াট। এ বছর চাহিদা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে বলে ধারণা করছে পিডিবি।

২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। গত ১৩ বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুন। দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পিডিবির তথ্য মতে, মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। যা এ পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন। এর আগে, ২০২২ সালের ১৬ এপ্রিল দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট। রমজান ও গ্রীষ্মকাল বিবেচনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টার ফল এই নতুন উৎপাদনের রেকর্ড।

পিডিবির পরিচালক শামীম হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। অবশ্য উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন লাইনের স্বাভাবিক লসের কারণে উৎপাদিত বিদ্যুতের পুরোটা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ২০২২ সালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার মেগাওয়াট। এ বছর চাহিদা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে বলে ধারণা করছে পিডিবি।

২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। গত ১৩ বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুন। দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।