০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন শাকিব খান

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৫:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩
  • / ৭৬ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ উঠেছে। সুপারস্টারের বিরুদ্ধে সহ-প্রযোজককে ধর্ষণের এই অভিযোগ তুলেছেন প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ। এই অভিযোগের বিষয়ে এতোদিন কোনো কথা বলেননি শাকিব খান। তবে শনিবার রাতে মানহানির মামলা করতে গুলশান মডেল থানায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়ক। সেখানেই তার বিরুদ্ধে উঠা ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেতা।

সাংবাদিকরা তাকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘সেই সব বিষয়গুলো নিয়েই অভিযোগ করতে এসেছিলাম। থানা পরামর্শ দিয়েছে, এই অভিযোগগুলো বা মামলাটা কোর্টে করেন আরও ভালো হয়। যেহেতু উনারা পরামর্শ দিয়েছেন আমি এই মামলা করার জন্য কোর্টে যাব।’অস্ট্রেলিয়ায় তার নামে মামলার বিষয়ে শাকিব বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় যদি আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় আমার বিচার না হয়ে সেখান থেকে আমি তো আসতে পারি না।

অস্ট্রেলিয়ায় আইন-প্রসাশনের উপর তাইলে তো কোনো আস্থায় নাই। সে বলেছে (রহমত উল্ল্যাহ) এটা একটা কেস নম্বর, আসলে এটা কেস নম্বর না। তার পরতে পরতে মিথ্যা। ইটস অ্যা ট্র্যাপ।’এ সময় শাকিবের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাডভোকেট খাইরুল বলেন, আপনারা অস্ট্রেলিয়ার যে মামলাটার কথা বলছেন, সেটা কিন্তু তদন্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

উনি যদি ওখানে দোষী প্রমাণিত হতেন, আজকে কিন্তু উনি বাংলাদেশে আসতে পারতেন না। কেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আপনারা অবশ্যই নিউজ পেতেন উনি যদি ওখানে গ্রেফতার হতেন। উনি যদি নারী ঘটিত কোনো কেলেঙ্কারি করতেন, উনিতো গ্রেফতার ছাড়া এই দেশে আসতে পারতেন না। এবং এটা সম্পূর্ণ ভুয়া ও সাজানো। অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ এটা তদন্ত করেছে, তাদের লাস্ট উক্তি ছিল, মিষ্টার খান- দিস ইজ অ্যা হ্যানি ট্র্যাপ, সো বি অ্যাওয়ার ইউরসেলফ ফ্রম দেম।’

শাকিব খানের বিরুদ্ধে রহমত উল্ল্যাহর অভিযোগ, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় এক নারী সহপ্রযোজককে ‘ধর্ষণ’ করেন শাকিব খান। এরপর তিনি দেশে পালিয়ে আসেন। এই ঘটনা নিয়ে ৬ বছর পর গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে শাকিবের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন প্রযোজক। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শাকিব খানের বিরুদ্ধে সেই ভুক্তভোগী অস্ট্রেলিয়া পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগও করেছিলেন।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন শাকিব খান

আপডেট সময় ০৫:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩

সম্প্রতি ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ উঠেছে। সুপারস্টারের বিরুদ্ধে সহ-প্রযোজককে ধর্ষণের এই অভিযোগ তুলেছেন প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ। এই অভিযোগের বিষয়ে এতোদিন কোনো কথা বলেননি শাকিব খান। তবে শনিবার রাতে মানহানির মামলা করতে গুলশান মডেল থানায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়ক। সেখানেই তার বিরুদ্ধে উঠা ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেতা।

সাংবাদিকরা তাকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘সেই সব বিষয়গুলো নিয়েই অভিযোগ করতে এসেছিলাম। থানা পরামর্শ দিয়েছে, এই অভিযোগগুলো বা মামলাটা কোর্টে করেন আরও ভালো হয়। যেহেতু উনারা পরামর্শ দিয়েছেন আমি এই মামলা করার জন্য কোর্টে যাব।’অস্ট্রেলিয়ায় তার নামে মামলার বিষয়ে শাকিব বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় যদি আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় আমার বিচার না হয়ে সেখান থেকে আমি তো আসতে পারি না।

অস্ট্রেলিয়ায় আইন-প্রসাশনের উপর তাইলে তো কোনো আস্থায় নাই। সে বলেছে (রহমত উল্ল্যাহ) এটা একটা কেস নম্বর, আসলে এটা কেস নম্বর না। তার পরতে পরতে মিথ্যা। ইটস অ্যা ট্র্যাপ।’এ সময় শাকিবের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাডভোকেট খাইরুল বলেন, আপনারা অস্ট্রেলিয়ার যে মামলাটার কথা বলছেন, সেটা কিন্তু তদন্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

উনি যদি ওখানে দোষী প্রমাণিত হতেন, আজকে কিন্তু উনি বাংলাদেশে আসতে পারতেন না। কেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আপনারা অবশ্যই নিউজ পেতেন উনি যদি ওখানে গ্রেফতার হতেন। উনি যদি নারী ঘটিত কোনো কেলেঙ্কারি করতেন, উনিতো গ্রেফতার ছাড়া এই দেশে আসতে পারতেন না। এবং এটা সম্পূর্ণ ভুয়া ও সাজানো। অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ এটা তদন্ত করেছে, তাদের লাস্ট উক্তি ছিল, মিষ্টার খান- দিস ইজ অ্যা হ্যানি ট্র্যাপ, সো বি অ্যাওয়ার ইউরসেলফ ফ্রম দেম।’

শাকিব খানের বিরুদ্ধে রহমত উল্ল্যাহর অভিযোগ, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় এক নারী সহপ্রযোজককে ‘ধর্ষণ’ করেন শাকিব খান। এরপর তিনি দেশে পালিয়ে আসেন। এই ঘটনা নিয়ে ৬ বছর পর গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে শাকিবের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন প্রযোজক। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শাকিব খানের বিরুদ্ধে সেই ভুক্তভোগী অস্ট্রেলিয়া পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগও করেছিলেন।