০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা লাশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৩১২ বার পড়া হয়েছে

আশুলিয়ায় নিজ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টায় আশুলিয়ার ইউনিক ফকিরবাড়ি এলাকার মেহেদী হাসানের বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মা শাহিদা বেগম (৪০), বাবা মোক্তার হোসেন (৫০) ও ছেলে মেহেদী হাসান (১২)।

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের গরুড়া ফুলবাড়ী গ্রামের মৃত. জহির উদ্দিনের ছেলে মোক্তার হোসেন বাবুল (৪৫) ও তার স্ত্রী শাহিদা বেগম (৩৫), ছেলে মেহেদী হাসান (১২)। তারা আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার মেহেদী হাসানের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করত।

স্থানীয়রা জানান, দুই দিন ধরে তাদের ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় এবং তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ওই বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানার এসআই জোহাব আলি গিয়ে দরজা খুলে ভেতরে তিনজনের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

পুলিশ ধারণা করছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের হত্যা করা হয়েছে। কারা কীভাবে হত্যা করেছে, সে তথ্য এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নিহতদের লাশ ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

আশুলিয়া থানার এসআই জোহাব আলী বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে বিছানার ওপর মা ও ছেলের লাশ দেখতে পাই। পরে পাশের ঘর থেকে আরেকজনের লাশ উদ্ধার করেছি। মনে হয় এটি মোক্তার হোসেনের লাশ। ঘরে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ। ধারণা করা হচ্ছে, তিন দিন আগে তাদের হত্যা করা হয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা লাশ

আপডেট সময় ০১:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩

আশুলিয়ায় নিজ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টায় আশুলিয়ার ইউনিক ফকিরবাড়ি এলাকার মেহেদী হাসানের বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মা শাহিদা বেগম (৪০), বাবা মোক্তার হোসেন (৫০) ও ছেলে মেহেদী হাসান (১২)।

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের গরুড়া ফুলবাড়ী গ্রামের মৃত. জহির উদ্দিনের ছেলে মোক্তার হোসেন বাবুল (৪৫) ও তার স্ত্রী শাহিদা বেগম (৩৫), ছেলে মেহেদী হাসান (১২)। তারা আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার মেহেদী হাসানের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করত।

স্থানীয়রা জানান, দুই দিন ধরে তাদের ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় এবং তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ওই বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানার এসআই জোহাব আলি গিয়ে দরজা খুলে ভেতরে তিনজনের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

পুলিশ ধারণা করছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের হত্যা করা হয়েছে। কারা কীভাবে হত্যা করেছে, সে তথ্য এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নিহতদের লাশ ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

আশুলিয়া থানার এসআই জোহাব আলী বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে বিছানার ওপর মা ও ছেলের লাশ দেখতে পাই। পরে পাশের ঘর থেকে আরেকজনের লাশ উদ্ধার করেছি। মনে হয় এটি মোক্তার হোসেনের লাশ। ঘরে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ। ধারণা করা হচ্ছে, তিন দিন আগে তাদের হত্যা করা হয়েছে।