০৭:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

নীরবতায় হতবাক জয়া

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৯৩ বার পড়া হয়েছে

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সামজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত ছবি পোস্ট করে সরব উপস্থিতির জানান দেন তিনি। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আক্ষেপের সুরে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঠকের জন্য তা হুবহু প্রকাশ করা হলো।

জয়া আহসান লেখেন, ‘মায়ার জঞ্জাল’ ছবিটা মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশের সিনেমাহলে চলছে। আমাদের দেশে যারা ভালো ছবির জন্য তৃষ্ণার্ত, এমন একটি অপূর্ব ছবি নিয়ে তাদের নীরবতায় আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি, যৌথ প্রযোজনার এই ছবিটি তো আমাদেরও, নাকি? অপি করিম আর সোহেল মণ্ডল গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছে। ছবিটির মূলে আছে বাংলা ভাষার জাদুকর লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভালো ছবি নিয়ে আমাদের পরিচালক, শিল্পী, কলাকুশলীরা সরবে কথা বলতে থাকলে তবেই না ভালো ছবির আবহাওয়াটা গড়ে উঠবে, দর্শকদের তৃষ্ণা বাড়বে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের নাগরিক সমাজের একেবারে প্রান্তে জীবনযাপন করা কিছু মানুষের এমন মায়াভরা সিনেমা আমি দেখিনি। জীবনের কঠিন কষাঘাত তাদের ম্রিয়মাণ, তিক্ত আর বাঁকা করে তুলেছে; কিন্তু সব ছাপিয়েও মমতা কীভাবে শেষ পর্যন্ত মানুষকে মানুষের সঙ্গে বেঁধে রাখে—সেই গল্পই দেখিয়েছেন পরিচালক ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। ভালো বাংলা ছবির চৌহদ্দী বড় করতে চাইলে আমাদের মনটাও তো প্রসারিত করতে হবে। আমরা সবাই যেন ভালো ছবির সঙ্গে থাকি।’

প্রসঙ্গত, জয়ার রূপ অনেক আগেই ভক্তদের হৃদয়ে দাগ কেটেছে। অনেকের ধারণা, দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়ার রূপও বেড়ে চলেছে। কেউ কেউ মনে করেন, জয়ার বয়স একটি ঘরেই আটকে আছে; এজন্যই তিনি চিরসবুজ। নতুন এই ছবিগুলোতে চিরতরুণী, আবেদনময়ী এক জয়াকে আবিষ্কার করেছেন তার অনুরাগীরা। সেটি মাথায় রেখেই তার পোস্টে কমেন্ট করছেন নেটিজেনরা।

দুই বাংলার দর্শকরা এখন তাকে চেনেন ‘ডুব সাঁতার’র রেণুকা, ‘গেরিলা’র বিলকিস বানু কিংবা ‘দেবী’র রানু হিসেবে। আবার কেউ কেউ তাকে ‘রাজকাহিনী’র রুবিনা, ‘কণ্ঠ’র রমিলা বা ‘ক্রিসক্রস’র মিসেস সেন বলেও চিহ্নিত করেন। কারণ, চরিত্রগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করেছেন এবং অভিজ্ঞতা-ব্যক্তিত্ব দিয়ে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন জয়া আহসান।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

নীরবতায় হতবাক জয়া

আপডেট সময় ০৪:২৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সামজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত ছবি পোস্ট করে সরব উপস্থিতির জানান দেন তিনি। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আক্ষেপের সুরে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঠকের জন্য তা হুবহু প্রকাশ করা হলো।

জয়া আহসান লেখেন, ‘মায়ার জঞ্জাল’ ছবিটা মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশের সিনেমাহলে চলছে। আমাদের দেশে যারা ভালো ছবির জন্য তৃষ্ণার্ত, এমন একটি অপূর্ব ছবি নিয়ে তাদের নীরবতায় আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি, যৌথ প্রযোজনার এই ছবিটি তো আমাদেরও, নাকি? অপি করিম আর সোহেল মণ্ডল গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছে। ছবিটির মূলে আছে বাংলা ভাষার জাদুকর লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভালো ছবি নিয়ে আমাদের পরিচালক, শিল্পী, কলাকুশলীরা সরবে কথা বলতে থাকলে তবেই না ভালো ছবির আবহাওয়াটা গড়ে উঠবে, দর্শকদের তৃষ্ণা বাড়বে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের নাগরিক সমাজের একেবারে প্রান্তে জীবনযাপন করা কিছু মানুষের এমন মায়াভরা সিনেমা আমি দেখিনি। জীবনের কঠিন কষাঘাত তাদের ম্রিয়মাণ, তিক্ত আর বাঁকা করে তুলেছে; কিন্তু সব ছাপিয়েও মমতা কীভাবে শেষ পর্যন্ত মানুষকে মানুষের সঙ্গে বেঁধে রাখে—সেই গল্পই দেখিয়েছেন পরিচালক ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। ভালো বাংলা ছবির চৌহদ্দী বড় করতে চাইলে আমাদের মনটাও তো প্রসারিত করতে হবে। আমরা সবাই যেন ভালো ছবির সঙ্গে থাকি।’

প্রসঙ্গত, জয়ার রূপ অনেক আগেই ভক্তদের হৃদয়ে দাগ কেটেছে। অনেকের ধারণা, দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়ার রূপও বেড়ে চলেছে। কেউ কেউ মনে করেন, জয়ার বয়স একটি ঘরেই আটকে আছে; এজন্যই তিনি চিরসবুজ। নতুন এই ছবিগুলোতে চিরতরুণী, আবেদনময়ী এক জয়াকে আবিষ্কার করেছেন তার অনুরাগীরা। সেটি মাথায় রেখেই তার পোস্টে কমেন্ট করছেন নেটিজেনরা।

দুই বাংলার দর্শকরা এখন তাকে চেনেন ‘ডুব সাঁতার’র রেণুকা, ‘গেরিলা’র বিলকিস বানু কিংবা ‘দেবী’র রানু হিসেবে। আবার কেউ কেউ তাকে ‘রাজকাহিনী’র রুবিনা, ‘কণ্ঠ’র রমিলা বা ‘ক্রিসক্রস’র মিসেস সেন বলেও চিহ্নিত করেন। কারণ, চরিত্রগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করেছেন এবং অভিজ্ঞতা-ব্যক্তিত্ব দিয়ে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন জয়া আহসান।