০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

পরাজয়ের ভয়ে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১১:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে

পরাজয়ের ভয়ে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, তারা কোন মুখে নির্বাচনে অংশ নেবে। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ওয়েস্টিন টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে বলেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না। বিএনপি কোন মুখ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে? ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের ২০টি দল মিলে আসন পেয়েছিল মাত্র ২৯টি। পরে তারা উপনির্বাচনে আরও একটি আসন পেয়েছিল। নির্বাচনের ন্যায্যতা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন তো সেবার উত্থাপিত হয়নি। এরপর পরাজয়ের ভয়ে ২০১৪ সালের নির্বাচন তারা বয়কট করেছিল।

ওই নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি-জামায়াত চক্র ৭০টি সরকারি অফিস পুড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ করে ৫০০ জনকে হত্যা করেছিল। মানবিক গুণ থাকলে তারা কখনোই এ ধরনের কাজ করতো না। যারা এমন নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কোন মুখে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে? সরকারপ্রধান বলেন, যারা বলে বেড়ান দেশে গণতন্ত্র নেই। তারা মনে করেন বাংলাদেশে কেবল তখনই গণতন্ত্র ছিল, যখন দেশে স্বৈরাচার, ভোট কারচুপি এবং হ্যাঁ বা না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক করেছিলাম। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, তারা ক্ষমতায় আসার পর কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ যারা এসব ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা নেবেন, তারা আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন। তিনি বলেন, কোনো সুবিধা বন্ধ না করে জনগণের কল্যাণে কাজ করে তাদের মন জয় করা প্রয়োজন।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

পরাজয়ের ভয়ে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

পরাজয়ের ভয়ে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, তারা কোন মুখে নির্বাচনে অংশ নেবে। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ওয়েস্টিন টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে বলেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় না। বিএনপি কোন মুখ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে? ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের ২০টি দল মিলে আসন পেয়েছিল মাত্র ২৯টি। পরে তারা উপনির্বাচনে আরও একটি আসন পেয়েছিল। নির্বাচনের ন্যায্যতা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন তো সেবার উত্থাপিত হয়নি। এরপর পরাজয়ের ভয়ে ২০১৪ সালের নির্বাচন তারা বয়কট করেছিল।

ওই নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি-জামায়াত চক্র ৭০টি সরকারি অফিস পুড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ করে ৫০০ জনকে হত্যা করেছিল। মানবিক গুণ থাকলে তারা কখনোই এ ধরনের কাজ করতো না। যারা এমন নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কোন মুখে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে? সরকারপ্রধান বলেন, যারা বলে বেড়ান দেশে গণতন্ত্র নেই। তারা মনে করেন বাংলাদেশে কেবল তখনই গণতন্ত্র ছিল, যখন দেশে স্বৈরাচার, ভোট কারচুপি এবং হ্যাঁ বা না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক করেছিলাম। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, তারা ক্ষমতায় আসার পর কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ যারা এসব ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা নেবেন, তারা আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন। তিনি বলেন, কোনো সুবিধা বন্ধ না করে জনগণের কল্যাণে কাজ করে তাদের মন জয় করা প্রয়োজন।