০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

পাকিস্তানে থানায় একাধিক বিস্ফোরণ, মৃত ১২

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৬৪ বার পড়া হয়েছে

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে কাবাল শহরের থানায় একাধিক বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন অন্ততপক্ষে ১২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৭ জন। এটা আত্মঘাতী বিস্ফোরণ না শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লেগে বিস্ফোরণ তা নিয়ে আলাদা আলাদা মত রয়েছে।

ডিপিও শফিউল্লাহ গন্দারপুরকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন জানাচ্ছে, এটা আত্মঘাতী হামলা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মী ইমদাদ খান জানিয়েছেন, রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে হয়। থানার ভিতরে কাউন্টার টেররিজম দপ্তর ও একটি মসজিদও আছে। তিনি জানিয়েছেন, অন্তত দুইটি বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে।

কিন্তু খাইবার পাখতুনখাওয়ার পুলিশের ডিআইজি খালিদ সোহেল জানিয়েছেন, এটা কোনো আত্মঘাতী হামলা নয়, কেউ গুলি চালায়নি বা বোমা বিস্ফোরণ করেনি। যে জায়গায় গোলাবারুদ রাখা ছিল, সেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে। কেন এই বিস্ফোরণ হয়েছে, এর পিছনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, একটি পুরোনো বাড়িতে দুইটি বিস্ফোরণ হয়েছে। বেশির ভাগ পুলিশ কর্মকর্তা নতুন বাড়িতে বসেন। তাই তাদের কারো কোনো ক্ষতি হয়নি। আগুন লাগার ফলে বিস্ফোরণ হয়। আবার ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধানকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগে ও বিস্ফোরণ হয়।

সন্ত্রাসবিরোধী শাখার আঞ্চলিক প্রধান শোহেল খালিদ বলেছেন, দেখে মনে হচ্ছে না, এটা কোনো আত্মঘাতী বাহিনীর কাজ। একটা স্টোরে প্রচুর গোলাবারুদ ও অস্ত্র রাখা ছিল। সেখানেই বিস্ফোরণ হয়। তবে আমরা সবদিক বিবেচনা করে দেখছি। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও প্রথমে টুইট করে আত্মঘাতী আক্রমণের তীব্র নিন্দা করে বলেছিলেন, সন্ত্রাসের মোকাবিলা পুলিশই প্রথমে করে। যতক্ষণ এই জঙ্গিদের শেষ না করা হচ্ছে, ততক্ষণ তারা থামবেন না।

পরে শরীফ আরেকটি টুইট করে বলেন, কেন বিস্ফোরণ হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা এজেন্সি কোনো সিদ্ধান্তে এলেই দেশকে তা জানানো হবে। যে জায়গায় থানায় এই বিস্ফোরণ হয়েছে, তা আফগান সীমান্তের কাছে সোয়াত অঞ্চলে। আগেও এই এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। দুইটি ঘটনার সঙ্গে পাকিস্তান তালেবান জড়িত বলেও অভিয়োগ করা হয়েছিল।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে থানায় একাধিক বিস্ফোরণ, মৃত ১২

আপডেট সময় ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে কাবাল শহরের থানায় একাধিক বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন অন্ততপক্ষে ১২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৭ জন। এটা আত্মঘাতী বিস্ফোরণ না শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লেগে বিস্ফোরণ তা নিয়ে আলাদা আলাদা মত রয়েছে।

ডিপিও শফিউল্লাহ গন্দারপুরকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন জানাচ্ছে, এটা আত্মঘাতী হামলা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মী ইমদাদ খান জানিয়েছেন, রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে হয়। থানার ভিতরে কাউন্টার টেররিজম দপ্তর ও একটি মসজিদও আছে। তিনি জানিয়েছেন, অন্তত দুইটি বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে।

কিন্তু খাইবার পাখতুনখাওয়ার পুলিশের ডিআইজি খালিদ সোহেল জানিয়েছেন, এটা কোনো আত্মঘাতী হামলা নয়, কেউ গুলি চালায়নি বা বোমা বিস্ফোরণ করেনি। যে জায়গায় গোলাবারুদ রাখা ছিল, সেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে। কেন এই বিস্ফোরণ হয়েছে, এর পিছনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, একটি পুরোনো বাড়িতে দুইটি বিস্ফোরণ হয়েছে। বেশির ভাগ পুলিশ কর্মকর্তা নতুন বাড়িতে বসেন। তাই তাদের কারো কোনো ক্ষতি হয়নি। আগুন লাগার ফলে বিস্ফোরণ হয়। আবার ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধানকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগে ও বিস্ফোরণ হয়।

সন্ত্রাসবিরোধী শাখার আঞ্চলিক প্রধান শোহেল খালিদ বলেছেন, দেখে মনে হচ্ছে না, এটা কোনো আত্মঘাতী বাহিনীর কাজ। একটা স্টোরে প্রচুর গোলাবারুদ ও অস্ত্র রাখা ছিল। সেখানেই বিস্ফোরণ হয়। তবে আমরা সবদিক বিবেচনা করে দেখছি। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও প্রথমে টুইট করে আত্মঘাতী আক্রমণের তীব্র নিন্দা করে বলেছিলেন, সন্ত্রাসের মোকাবিলা পুলিশই প্রথমে করে। যতক্ষণ এই জঙ্গিদের শেষ না করা হচ্ছে, ততক্ষণ তারা থামবেন না।

পরে শরীফ আরেকটি টুইট করে বলেন, কেন বিস্ফোরণ হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা এজেন্সি কোনো সিদ্ধান্তে এলেই দেশকে তা জানানো হবে। যে জায়গায় থানায় এই বিস্ফোরণ হয়েছে, তা আফগান সীমান্তের কাছে সোয়াত অঞ্চলে। আগেও এই এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। দুইটি ঘটনার সঙ্গে পাকিস্তান তালেবান জড়িত বলেও অভিয়োগ করা হয়েছিল।