০১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

পুড়ে ছাই হওয়া বঙ্গবাজারে ফের বেচাকেনা শুরু

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৫:৪২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৫৭ বার পড়া হয়েছে

পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা চৌকি পেতে ফের বেচাকেনা শুরু করেছেন। বুধবার (১২ এপ্রিল) ৬৬৮ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ১৭ বর্গফুট করে চিহ্নিত জায়গায় ব্যবসা করার সুযোগ পেয়েছেন।

দুপুরে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ২ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি ঈদের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনেরও আশ্বাস দেন।

মার্কেটে আগুন ধরার আট দিন পর বুধবার বেলা ১১টার দিকে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। নির্দিষ্ট জায়গার ভেতরেই চৌকির ওপর পণ্যসামগ্রী রেখে বেচাকেনা শুরু করেন তারা। তবে খোলা জায়গায় হাঁসফাঁস করা তীব্র গরমে ক্রেতাদেরও খুব বেশি ঘেঁষতে দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদেরও হাপিত্যেস অবস্থা।

বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি চৌকি প্রস্থে সাড়ে ৩ ফুট এবং দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট। প্রথম দিনে ৬৮৮ জনকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়ে যাওয়া মার্কেটের আবর্জনা পরিষ্কার করে সেখানে বালু ফেলে ইট বসানো হয়েছে। মার্কেটের দক্ষিণ অংশে ইট বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। সেখানেও পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত অন্য ব্যবসায়ীদের জায়গা করে দেওয়া হবে। এর আগে, গত ৪ এপ্রিল সকালে রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিটসহ নৌ, সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যরাও যোগ দেন। প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনা হাজার হাজার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিস্ব হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী। ব্যসায়ীদের দাবি, আগুনে তাদের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

পুড়ে ছাই হওয়া বঙ্গবাজারে ফের বেচাকেনা শুরু

আপডেট সময় ০৫:৪২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা চৌকি পেতে ফের বেচাকেনা শুরু করেছেন। বুধবার (১২ এপ্রিল) ৬৬৮ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ১৭ বর্গফুট করে চিহ্নিত জায়গায় ব্যবসা করার সুযোগ পেয়েছেন।

দুপুরে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ২ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি ঈদের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনেরও আশ্বাস দেন।

মার্কেটে আগুন ধরার আট দিন পর বুধবার বেলা ১১টার দিকে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। নির্দিষ্ট জায়গার ভেতরেই চৌকির ওপর পণ্যসামগ্রী রেখে বেচাকেনা শুরু করেন তারা। তবে খোলা জায়গায় হাঁসফাঁস করা তীব্র গরমে ক্রেতাদেরও খুব বেশি ঘেঁষতে দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদেরও হাপিত্যেস অবস্থা।

বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি চৌকি প্রস্থে সাড়ে ৩ ফুট এবং দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট। প্রথম দিনে ৬৮৮ জনকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়ে যাওয়া মার্কেটের আবর্জনা পরিষ্কার করে সেখানে বালু ফেলে ইট বসানো হয়েছে। মার্কেটের দক্ষিণ অংশে ইট বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। সেখানেও পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত অন্য ব্যবসায়ীদের জায়গা করে দেওয়া হবে। এর আগে, গত ৪ এপ্রিল সকালে রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিটসহ নৌ, সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যরাও যোগ দেন। প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনা হাজার হাজার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিস্ব হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী। ব্যসায়ীদের দাবি, আগুনে তাদের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।