০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পেলে-ম্যারাডোনার পাশে মেসির ভাস্কর্য

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
  • / ৫৭ বার পড়া হয়েছে

৩৬ বছরের ব্যাকুলতা শেষে লিওনেল মেসির হাত ধরে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা। মরুর বুকে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-এ বিশ্বমঞ্চের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মধ্য দিয়ে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সবকিছুই অর্জন করেছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। এবার আকাশী-নীল জার্সিধারীদের এই মহাতারকাকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ ভাস্কর্য উন্মোচন করল দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কনমেবল)।

কিংবদন্তি মেসি ও বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলকে সম্মান জানাতে কনমেবলের সদর দপ্তরে এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মেসির হাতে তারই ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়। আর কনমেবলের সদর দপ্তরে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে ও আর্জেন্টাইন ম্যারাডোনার ভাস্কর্যের পাশে মেসির ভাস্কর্য ঠাঁই পাবে। যদিও এটাই দক্ষিণ আমেরিকায় মেসির প্রথম ভাস্কর্য নয়, এর আগে ২০১৬ সালেও মেসির নিজে দেশে বুয়েন্স এয়ার্সে আর্জেন্টাইন লিটল-মাস্টারের ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছিল।

ভাস্কর্য উন্মোচনের পর মেসি দাবি করেন, খুবই সুন্দর একটি মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এত ভালোবাসা পাচ্ছি। এটা সত্যিই অনেক বড় কিছু। পিএসজির এই ফরওয়ার্ড বলেন, আমি কখনও এমন কিছুর স্বপ্ন দেখিনি। ছোটবেলায় আমার স্বপ্ন ছিল– আমি যেটা পছন্দ করি, শুধু সেটা উপভোগ করা। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে এই জীবনটাই আমি সবসময় ভালোবেসেছি। আমি সব সময় উন্নতি করার চেষ্টা করেছি। এটা জানতাম, আমাকে অনেক দূর যেতে হবে।

মেসির ভাষ্য, আমাকে অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। সেই পথে অনেক মোড় এসেছে, পরাজয় এসেছে। তবে আমি সবসময় সামনে তাকিয়েছি এবং সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছি, বিজয় চেয়েছি। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, আমার মনে হয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এটিই, স্বপ্নকে তাড়া করা, সবকিছুকে সম্ভব করতে লড়াই করা এবং খেলা উপভোগ করা, যেটি সবচেয়ে সুন্দর।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আর্জেন্টাইন মহাতারকা বলেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ফুটবল ক্যারিয়ারে আমি সবকিছুই অর্জন করতে পেরেছি। আমার সব সতীর্থদের ধন্যবাদ, এত সুন্দর উপহার দেওয়ার জন্য। কনমেবলকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মেসির দাবি, আমরা খুবই বিশেষ আর দারুণ একটি মুহূর্তে কাটাচ্ছি। অনেক অনেক ভালোবাসা পাচ্ছি। লাতিন আমেরিকান কোনো দেশের বিশ্বকাপ জেতার সময়ই ছিল এটা।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

পেলে-ম্যারাডোনার পাশে মেসির ভাস্কর্য

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

৩৬ বছরের ব্যাকুলতা শেষে লিওনেল মেসির হাত ধরে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা। মরুর বুকে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-এ বিশ্বমঞ্চের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মধ্য দিয়ে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সবকিছুই অর্জন করেছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। এবার আকাশী-নীল জার্সিধারীদের এই মহাতারকাকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ ভাস্কর্য উন্মোচন করল দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কনমেবল)।

কিংবদন্তি মেসি ও বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলকে সম্মান জানাতে কনমেবলের সদর দপ্তরে এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মেসির হাতে তারই ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়। আর কনমেবলের সদর দপ্তরে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে ও আর্জেন্টাইন ম্যারাডোনার ভাস্কর্যের পাশে মেসির ভাস্কর্য ঠাঁই পাবে। যদিও এটাই দক্ষিণ আমেরিকায় মেসির প্রথম ভাস্কর্য নয়, এর আগে ২০১৬ সালেও মেসির নিজে দেশে বুয়েন্স এয়ার্সে আর্জেন্টাইন লিটল-মাস্টারের ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছিল।

ভাস্কর্য উন্মোচনের পর মেসি দাবি করেন, খুবই সুন্দর একটি মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এত ভালোবাসা পাচ্ছি। এটা সত্যিই অনেক বড় কিছু। পিএসজির এই ফরওয়ার্ড বলেন, আমি কখনও এমন কিছুর স্বপ্ন দেখিনি। ছোটবেলায় আমার স্বপ্ন ছিল– আমি যেটা পছন্দ করি, শুধু সেটা উপভোগ করা। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে এই জীবনটাই আমি সবসময় ভালোবেসেছি। আমি সব সময় উন্নতি করার চেষ্টা করেছি। এটা জানতাম, আমাকে অনেক দূর যেতে হবে।

মেসির ভাষ্য, আমাকে অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। সেই পথে অনেক মোড় এসেছে, পরাজয় এসেছে। তবে আমি সবসময় সামনে তাকিয়েছি এবং সাফল্য অর্জন করতে চেয়েছি, বিজয় চেয়েছি। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, আমার মনে হয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এটিই, স্বপ্নকে তাড়া করা, সবকিছুকে সম্ভব করতে লড়াই করা এবং খেলা উপভোগ করা, যেটি সবচেয়ে সুন্দর।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আর্জেন্টাইন মহাতারকা বলেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ফুটবল ক্যারিয়ারে আমি সবকিছুই অর্জন করতে পেরেছি। আমার সব সতীর্থদের ধন্যবাদ, এত সুন্দর উপহার দেওয়ার জন্য। কনমেবলকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মেসির দাবি, আমরা খুবই বিশেষ আর দারুণ একটি মুহূর্তে কাটাচ্ছি। অনেক অনেক ভালোবাসা পাচ্ছি। লাতিন আমেরিকান কোনো দেশের বিশ্বকাপ জেতার সময়ই ছিল এটা।