০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩
  • / ৫৫ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। স্থানীয় সময় সোমবার (১ মে) বিকেলে ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বেদান্ত প্যাটেল বলেন, নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে, আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) চাই নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন কিভাবে হবে তা দেশটির জনগণই ঠিক করবে। যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। এর বাইরে আর কিছু বলতে চাই না, যেহেতু এটা অভ্যন্তরীণ এবং দেশীয় নির্বাচন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বলেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করেছে। আমরা সেই সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আরও মনোযোগী। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে প্রচুর সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, মানবিক সংকটের মতো প্রভৃতি বিষয় রয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। স্থানীয় সময় সোমবার (১ মে) বিকেলে ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বেদান্ত প্যাটেল বলেন, নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে, আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) চাই নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন কিভাবে হবে তা দেশটির জনগণই ঠিক করবে। যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। এর বাইরে আর কিছু বলতে চাই না, যেহেতু এটা অভ্যন্তরীণ এবং দেশীয় নির্বাচন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বলেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করেছে। আমরা সেই সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আরও মনোযোগী। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে প্রচুর সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, মানবিক সংকটের মতো প্রভৃতি বিষয় রয়েছে।