০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

বায়ার্নকে উড়িয়ে সেমিতে এক পা ম্যানসিটির

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৮:২০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৫৩ বার পড়া হয়েছে

চ্যাম্পিয়নস লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বায়ার্ন মিউনিখ জুলিয়ান নাগেলসম্যানকে সরিয়ে টমাস টুখেলকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তবে মাঠের লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না তারা। ফলে শেষ আটের প্রথম লেগে জার্মান জায়ান্টদের উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে বসল সিটিজেনরা।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে নিজেদের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-০ গোলে ধসিয়ে দিয়েছে ইংলিশ জায়ান্টরা। প্রথমার্ধে দলকে এগিয়ে নেন রদ্রি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে সিলভা ও হলান্ডের গোলে বড় জয় পায় ম্যানসিটি। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমান তালে খেলতে থাকে।

তবে ২৭তম মিনিটে প্রথম লিড নেয় ম্যানসিটি। বা পায়ের বাঁকানো ড্রাইভে টপ কর্নারে বল জড়িয়ে বায়ার্নের জালে বল জড়ান সিটির স্প্যানিশ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। যা নিয়েই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে বায়ার্ন। ম্যাচে ফেরার দারুন সুযোগও পেয়েছিল সফরকারীরা। বিশেষ করে সিটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড লেরয় সানে লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে হতাশ করেন সিটির ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এদেরসন।

গোলের দেখা না পাওয়া বায়ার্ন এরপর আরও দুই গোল হজম করে বসে। ৭০তম মিনিটে হলান্ডের দুর্দান্ত ক্রসে বার্নান্দো সিলভার হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সিটি। আর ম্যানসিটিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের সুবাস এনে দেন আর্লিং হলান্ড। ৭৬তম মিনিটে জালের খোঁজ পান হলান্ড। জন স্টোনসের হেডে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় তিনি পরাস্ত করেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ইয়ান সোমেরকে। চলতি ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে এটি তার ১১তম গোল, আর মৌসুমে রেকর্ড ৪৫তম।

এরপর বাকি সময় সিটির রক্ষণকে পরাস্ত করতে না পারায় বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাভারিয়ানদের। দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে গোল না খাওয়ার চ্যালেঞ্জে জিতলেই শেষ চারে চলে যাবে পেপ গার্দিওয়ালার দল।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

বায়ার্নকে উড়িয়ে সেমিতে এক পা ম্যানসিটির

আপডেট সময় ০৮:২০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

চ্যাম্পিয়নস লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বায়ার্ন মিউনিখ জুলিয়ান নাগেলসম্যানকে সরিয়ে টমাস টুখেলকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তবে মাঠের লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না তারা। ফলে শেষ আটের প্রথম লেগে জার্মান জায়ান্টদের উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে বসল সিটিজেনরা।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে নিজেদের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-০ গোলে ধসিয়ে দিয়েছে ইংলিশ জায়ান্টরা। প্রথমার্ধে দলকে এগিয়ে নেন রদ্রি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে সিলভা ও হলান্ডের গোলে বড় জয় পায় ম্যানসিটি। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমান তালে খেলতে থাকে।

তবে ২৭তম মিনিটে প্রথম লিড নেয় ম্যানসিটি। বা পায়ের বাঁকানো ড্রাইভে টপ কর্নারে বল জড়িয়ে বায়ার্নের জালে বল জড়ান সিটির স্প্যানিশ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। যা নিয়েই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে বায়ার্ন। ম্যাচে ফেরার দারুন সুযোগও পেয়েছিল সফরকারীরা। বিশেষ করে সিটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড লেরয় সানে লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে হতাশ করেন সিটির ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এদেরসন।

গোলের দেখা না পাওয়া বায়ার্ন এরপর আরও দুই গোল হজম করে বসে। ৭০তম মিনিটে হলান্ডের দুর্দান্ত ক্রসে বার্নান্দো সিলভার হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সিটি। আর ম্যানসিটিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের সুবাস এনে দেন আর্লিং হলান্ড। ৭৬তম মিনিটে জালের খোঁজ পান হলান্ড। জন স্টোনসের হেডে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় তিনি পরাস্ত করেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ইয়ান সোমেরকে। চলতি ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে এটি তার ১১তম গোল, আর মৌসুমে রেকর্ড ৪৫তম।

এরপর বাকি সময় সিটির রক্ষণকে পরাস্ত করতে না পারায় বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাভারিয়ানদের। দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে গোল না খাওয়ার চ্যালেঞ্জে জিতলেই শেষ চারে চলে যাবে পেপ গার্দিওয়ালার দল।