১০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

‘বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডে ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি’

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি পণ্যের ক্ষতি হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত কমিটির অনুসন্ধান উঠে এসেছে। কমিটির তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের সময় ডিপোটিতে ৫০০ কোটির টাকার বেশি রপ্তানি পণ্য ছিল। যার অধিকাংশই তৈরি পোশাক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কমিটি এরই মধ্যে রপ্তানি পণ্যের ক্ষতির খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শিগগরিই তা চূড়ান্ত করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পাঠানো হবে। কমিটির খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় ডিপোতে মোট দুই হাজার ৬৮৯টি শিপিং বিলের বিপরীতে ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৭৭৭ কার্টন পণ্য ছিল।

যার মূল্য পাঁচ কোটি সাত লাখ ১৪ হাজার ৩৪ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫০০ কোটি টাকার বেশি। আর ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি পণ্যের মোট মূল্য এক কোটি ৯৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৬৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাৎ প্রায় ৩০০ কোটি টাকার পণ্য অক্ষত ছিল। কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সচিব রুহুল আমিন শিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৪ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল।

আশা করছি দুই-একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে। ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি পণ্যের বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো ডিপোতে রাখা হয়েছিল। তবে ক্ষতি নিরূপণ হলেও কারা ক্ষতিপূরণ দেবে- এ নিয়ে কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিকডা সচিব বলেন, এটা আমাদের কমিটির কর্মপরিধির মধ্যে নেই।

আমাদের শুধু রপ্তানি পণ্যের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে বলা হয়েছে। কোনো কোনো পণ্যের টাকা এরই মধ্যে বায়ার (বিদেশি ক্রেতা) দিয়ে দিয়েছে। অনেকের চুক্তিটা এরকম-ডিপোতে পণ্য এনে বুঝিয়ে দেওয়া মানে বায়ারকে বুঝিয়ে দেওয়া। এমন অবস্থায় বায়ার টাকা দিতে বাধ্য। তাই বায়াররা ক্ষতিপূরণ দেবে। গত বছরের ৪ জুন রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। এরপর সেখানে একে একে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়।

এ ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু ও শতাধিক লোক আহত হয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

‘বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডে ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি’

আপডেট সময় ০১:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি পণ্যের ক্ষতি হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত কমিটির অনুসন্ধান উঠে এসেছে। কমিটির তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের সময় ডিপোটিতে ৫০০ কোটির টাকার বেশি রপ্তানি পণ্য ছিল। যার অধিকাংশই তৈরি পোশাক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কমিটি এরই মধ্যে রপ্তানি পণ্যের ক্ষতির খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শিগগরিই তা চূড়ান্ত করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পাঠানো হবে। কমিটির খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় ডিপোতে মোট দুই হাজার ৬৮৯টি শিপিং বিলের বিপরীতে ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৭৭৭ কার্টন পণ্য ছিল।

যার মূল্য পাঁচ কোটি সাত লাখ ১৪ হাজার ৩৪ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫০০ কোটি টাকার বেশি। আর ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি পণ্যের মোট মূল্য এক কোটি ৯৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৬৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাৎ প্রায় ৩০০ কোটি টাকার পণ্য অক্ষত ছিল। কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সচিব রুহুল আমিন শিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৪ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল।

আশা করছি দুই-একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে। ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি পণ্যের বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো ডিপোতে রাখা হয়েছিল। তবে ক্ষতি নিরূপণ হলেও কারা ক্ষতিপূরণ দেবে- এ নিয়ে কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিকডা সচিব বলেন, এটা আমাদের কমিটির কর্মপরিধির মধ্যে নেই।

আমাদের শুধু রপ্তানি পণ্যের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে বলা হয়েছে। কোনো কোনো পণ্যের টাকা এরই মধ্যে বায়ার (বিদেশি ক্রেতা) দিয়ে দিয়েছে। অনেকের চুক্তিটা এরকম-ডিপোতে পণ্য এনে বুঝিয়ে দেওয়া মানে বায়ারকে বুঝিয়ে দেওয়া। এমন অবস্থায় বায়ার টাকা দিতে বাধ্য। তাই বায়াররা ক্ষতিপূরণ দেবে। গত বছরের ৪ জুন রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। এরপর সেখানে একে একে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়।

এ ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু ও শতাধিক লোক আহত হয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।