০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়ার ঋণ চীনা মুদ্রায় পরিশোধ করবে বাংলাদেশ

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১০:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৯ বার পড়া হয়েছে

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়া থেকে যে ঋণ নিয়েছিল বাংলাদেশ তা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে পরিশোধ করবে সরকার। সোমবার (১৭ এপ্রিল) বাংলাদেশের সরকারি এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

উত্তম কুমার কর্মকার নামের ওই কর্মকর্তা বলেন, রাশিয়া চেয়েছে আমরা যেন তাদের মুদ্রা রুবলে ঋণ পরিশোধ করি। বর্তমান পরিস্থিতিতে তা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে সেটা শোধ করতে রাজি হয়েছি আমরা।

পাবনার রূপপুরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তৈরি করছে রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কোম্পানি রোসাটম। এ খরচের ৯০ ভাগ ঋণ হিসেবে বাংলাদেশকে দিচ্ছে রাশিয়া। যা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। তবে ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা দিবে রাশিয়া। রূপপুরে দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথমটির নির্মাণকাজ শেষের পথে।

পুরো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখান থেকে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। যা জাতীয় গ্রিডে যা যোগ হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটের প্রথমটি ২০২৪ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। আর পরের বছর দ্বিতীয়টি চালু হবে বলে আশা করছে সরকার।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার ঋণ চীনা মুদ্রায় পরিশোধ করবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়া থেকে যে ঋণ নিয়েছিল বাংলাদেশ তা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে পরিশোধ করবে সরকার। সোমবার (১৭ এপ্রিল) বাংলাদেশের সরকারি এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

উত্তম কুমার কর্মকার নামের ওই কর্মকর্তা বলেন, রাশিয়া চেয়েছে আমরা যেন তাদের মুদ্রা রুবলে ঋণ পরিশোধ করি। বর্তমান পরিস্থিতিতে তা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে সেটা শোধ করতে রাজি হয়েছি আমরা।

পাবনার রূপপুরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তৈরি করছে রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কোম্পানি রোসাটম। এ খরচের ৯০ ভাগ ঋণ হিসেবে বাংলাদেশকে দিচ্ছে রাশিয়া। যা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। তবে ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা দিবে রাশিয়া। রূপপুরে দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথমটির নির্মাণকাজ শেষের পথে।

পুরো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখান থেকে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। যা জাতীয় গ্রিডে যা যোগ হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটের প্রথমটি ২০২৪ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। আর পরের বছর দ্বিতীয়টি চালু হবে বলে আশা করছে সরকার।