১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল ২ হাজার ঘর

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে প্রায় ২ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে আংশিক পুড়েছে ১০ ও ১২ নম্বর ক্যাম্প। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৬ মার্চ) উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার (৫ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে আগুন দুই ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে। ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার বিকেলে প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় পর ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

আমরা ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু করছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, প্রায় ২ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। তার মধ্যে ৩৫টি মসজিদ ও মাদরাসা রয়েছে। তিনি আরও জানান, হাসপাতাল ও হেলথ সেন্টারসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান পুড়েছে। কিভাবে আগুনের ঘটনা ঘটছে, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে কেউ আগুন লাগিয়েছে কিনা তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ এমদাদুল হক জানান, রোববার বিকেলে বালুখালী ক্যাম্পের ডি-১৫ ব্লকের একটি বাড়ির চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা গেলেও সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পাহাড়ের ঢালুতে ঘরবাড়ি ও পাহাড়ি চিপা গলি হওয়ায় কাজ করতে বেগ পেতে হয়।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল ২ হাজার ঘর

আপডেট সময় ১০:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে প্রায় ২ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে আংশিক পুড়েছে ১০ ও ১২ নম্বর ক্যাম্প। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৬ মার্চ) উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার (৫ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে আগুন দুই ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে। ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার বিকেলে প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় পর ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

আমরা ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু করছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, প্রায় ২ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। তার মধ্যে ৩৫টি মসজিদ ও মাদরাসা রয়েছে। তিনি আরও জানান, হাসপাতাল ও হেলথ সেন্টারসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান পুড়েছে। কিভাবে আগুনের ঘটনা ঘটছে, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে কেউ আগুন লাগিয়েছে কিনা তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ এমদাদুল হক জানান, রোববার বিকেলে বালুখালী ক্যাম্পের ডি-১৫ ব্লকের একটি বাড়ির চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা গেলেও সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পাহাড়ের ঢালুতে ঘরবাড়ি ও পাহাড়ি চিপা গলি হওয়ায় কাজ করতে বেগ পেতে হয়।