০৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সহিংসতা বন্ধে একমত ইসরাইল-ফিলিস্তিন

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১১:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৯১ বার পড়া হয়েছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বন্ধে একমত হয়েছে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েল। সহিসংতা রোধে উভয় পক্ষই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে অভিযান চালিয়ে ১১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। জবাবে গাজা উপত্যকা থেকে একাধিক রকেট ছোড়া হয়।

এরপর ওইদিন রাতেই গাজা উপত্যকার আল শাতি শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এ নিয়ে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। পরে সহিংসতা থামাতে দুই পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করে জর্ডান। বৈঠকের পর ইসরায়েল-ফিলিস্তিন এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, যেকোনো ধরনের সহিংসতা রোধে একযোগে কাজ করবে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।

একইসঙ্গে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তরা। এ ছাড়া ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা চার মাসের জন্য নতুন বসতি স্থাপন কাজ বন্ধ রাখতে আলোচনা করবে এবং ছয় মাসের জন্য নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেবে না। দুই পক্ষই আগামী মাসে (মার্চ) মিশরের শার্ম আল শেখে আবারও বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে ১৩ শিশুসহ ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত বছর ইসরায়েলের অভিযানে ১৭০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিল।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

সহিংসতা বন্ধে একমত ইসরাইল-ফিলিস্তিন

আপডেট সময় ১১:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বন্ধে একমত হয়েছে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েল। সহিসংতা রোধে উভয় পক্ষই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে অভিযান চালিয়ে ১১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। জবাবে গাজা উপত্যকা থেকে একাধিক রকেট ছোড়া হয়।

এরপর ওইদিন রাতেই গাজা উপত্যকার আল শাতি শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এ নিয়ে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। পরে সহিংসতা থামাতে দুই পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করে জর্ডান। বৈঠকের পর ইসরায়েল-ফিলিস্তিন এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, যেকোনো ধরনের সহিংসতা রোধে একযোগে কাজ করবে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।

একইসঙ্গে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তরা। এ ছাড়া ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা চার মাসের জন্য নতুন বসতি স্থাপন কাজ বন্ধ রাখতে আলোচনা করবে এবং ছয় মাসের জন্য নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেবে না। দুই পক্ষই আগামী মাসে (মার্চ) মিশরের শার্ম আল শেখে আবারও বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে ১৩ শিশুসহ ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত বছর ইসরায়েলের অভিযানে ১৭০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিল।