০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

সায়েন্সল্যাবের সেই ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৬:৪১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩
  • / ৭৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সোমবার (৬ মার্চ) ওই ভবনে গিয়ে দেখা গেছে, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবন জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ’ সাইনবোর্ড ঝুলছে।

সোমবার সকাল থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তায় রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এদিকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার শহীদুল্লাহ বলেন, আজকে মামলা করা হবে।

রোববার (৫ মার্চ) পৌনে ১১টার দিকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে শিরিন ভবনের তিনতলায়। এতে তিনজন নিহত হন। আহত হন ১৫ জন। আহত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভবনে বিস্ফোরণ নিয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানিয়েছে, জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে।

বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনও কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্প হচ্ছে মনে করে অন্যান্য ভবনের লোকজনও নিচে নেমে আসেন। বিস্ফোরণের পরেই আগুন ধরে যায় ভবনেটিতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট মিলে নিয়ন্ত্রণে এনে উদ্ধারকাজ শুরু করে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানায়, জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে গ্যাস ডিটেক্টর (শনাক্তকারী যন্ত্র) দিয়ে পরীক্ষা করে সেখানে গ্যাসের উপস্থিতি পেয়েছে বলে জানায়।

তবে ঠিক কোথায় ও কীভাবে গ্যাস জমে ছিল, কীভাবে বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়, সেটা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের কর্মকর্তারা জানান, কোনো আবদ্ধ জায়গায় স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি ঘনত্বের গ্যাস থাকলে বৈদ্যুতিক সুইচ, শর্টসার্কিট, দেশলাই বা লাইটারসহ এ ধরনের যেকোনো কিছু থেকে বিস্ফোরণের সূত্রপাত হতে পারে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

সায়েন্সল্যাবের সেই ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সোমবার (৬ মার্চ) ওই ভবনে গিয়ে দেখা গেছে, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবন জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ’ সাইনবোর্ড ঝুলছে।

সোমবার সকাল থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তায় রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এদিকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার শহীদুল্লাহ বলেন, আজকে মামলা করা হবে।

রোববার (৫ মার্চ) পৌনে ১১টার দিকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে শিরিন ভবনের তিনতলায়। এতে তিনজন নিহত হন। আহত হন ১৫ জন। আহত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভবনে বিস্ফোরণ নিয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানিয়েছে, জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে।

বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনও কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্প হচ্ছে মনে করে অন্যান্য ভবনের লোকজনও নিচে নেমে আসেন। বিস্ফোরণের পরেই আগুন ধরে যায় ভবনেটিতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট মিলে নিয়ন্ত্রণে এনে উদ্ধারকাজ শুরু করে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানায়, জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে গ্যাস ডিটেক্টর (শনাক্তকারী যন্ত্র) দিয়ে পরীক্ষা করে সেখানে গ্যাসের উপস্থিতি পেয়েছে বলে জানায়।

তবে ঠিক কোথায় ও কীভাবে গ্যাস জমে ছিল, কীভাবে বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়, সেটা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের কর্মকর্তারা জানান, কোনো আবদ্ধ জায়গায় স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি ঘনত্বের গ্যাস থাকলে বৈদ্যুতিক সুইচ, শর্টসার্কিট, দেশলাই বা লাইটারসহ এ ধরনের যেকোনো কিছু থেকে বিস্ফোরণের সূত্রপাত হতে পারে।