০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১১:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু টানেলটি উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছেন তিনি।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর সেতুভবনে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই কথা জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু টানেলের মাল্টিলেন সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরকে আনোয়ারা উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে সরাসরি কক্সবাজারকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। আগামী সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, টানেলের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। আমরা সময়মতো টানেলটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় এবং আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করছি। ইতিমধ্যে আমরা অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করেছি। এখন টানেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা কাজ চলছে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশে নির্মিত এই টানেলটি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরে নির্মাণ করা হয়েছে এবং মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। চার লেন বিশিষ্ট দুটি টিউবের প্রতিটির দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২.৪৫ কিলোমিটার। মূল টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫.৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং আনোয়ারা প্রান্তে একটি ৭২৭ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ১১:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু টানেলটি উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছেন তিনি।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর সেতুভবনে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই কথা জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু টানেলের মাল্টিলেন সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরকে আনোয়ারা উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে সরাসরি কক্সবাজারকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। আগামী সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, টানেলের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। আমরা সময়মতো টানেলটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় এবং আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করছি। ইতিমধ্যে আমরা অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করেছি। এখন টানেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা কাজ চলছে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশে নির্মিত এই টানেলটি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরে নির্মাণ করা হয়েছে এবং মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। চার লেন বিশিষ্ট দুটি টিউবের প্রতিটির দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২.৪৫ কিলোমিটার। মূল টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫.৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং আনোয়ারা প্রান্তে একটি ৭২৭ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে।