১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইসির উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং সেল

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩
  • / ৬১ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১৬ মার্চ স্থানীয় পর্যায়ে প্রায় শতাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলার নির্বাচনও আছে। এসব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে সেল গঠনের চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান। জানা গেছে, ১৬ মার্চ দেশের তিনটি পৌরসভা, একটি উপজেলা ও ৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং ছয়টি পৌরসভায় শূন্য পদের উপনির্বাচন, দু’টি উপজেলা পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচন ও পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া একইদিনে ৭০টি ইউনিয়ন পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।

এ জন্য ইসির আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমকে প্রধান করে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। মনিটরিং সেলের বিষয়ে ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; পুলিশ হেডকোয়াটার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; বিজিবি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা মনিটরিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মনিটরিং সেলের কার্যপরিধিও উল্লেখ করা হয়েছে ইসির প্রজ্ঞাপনে

১. নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবগতকরণ;

২. সেলে অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি কর্তৃক নির্বাচন উপলক্ষে মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের অবস্থান ও সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞাতকরণ;

৩. ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন।

৪. ইভিএমসহ বিভিন্ন নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, বিতরণ এবং ভোটগ্রহণ কাজে নিরাপত্তা বিধানের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তা দান।

৫. সংস্থার নিজস্ব যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কমিশনের নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে অবহিতকরণ।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইসির উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং সেল

আপডেট সময় ০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩

আগামী ১৬ মার্চ স্থানীয় পর্যায়ে প্রায় শতাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলার নির্বাচনও আছে। এসব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে সেল গঠনের চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান। জানা গেছে, ১৬ মার্চ দেশের তিনটি পৌরসভা, একটি উপজেলা ও ৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং ছয়টি পৌরসভায় শূন্য পদের উপনির্বাচন, দু’টি উপজেলা পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচন ও পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া একইদিনে ৭০টি ইউনিয়ন পরিষদের শূন্য পদের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।

এ জন্য ইসির আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমকে প্রধান করে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। মনিটরিং সেলের বিষয়ে ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; পুলিশ হেডকোয়াটার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; বিজিবি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা; এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন একজন কর্মকর্তা মনিটরিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মনিটরিং সেলের কার্যপরিধিও উল্লেখ করা হয়েছে ইসির প্রজ্ঞাপনে

১. নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবগতকরণ;

২. সেলে অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি কর্তৃক নির্বাচন উপলক্ষে মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের অবস্থান ও সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞাতকরণ;

৩. ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন।

৪. ইভিএমসহ বিভিন্ন নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, বিতরণ এবং ভোটগ্রহণ কাজে নিরাপত্তা বিধানের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তা দান।

৫. সংস্থার নিজস্ব যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কমিশনের নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে অবহিতকরণ।