০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪

১১ মে’র মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৬০ বার পড়া হয়েছে

আগামী ৯ থেকে ১১ মে’র মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘মোচা’। এটি ১১ থেকে ১৫ মে’র মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে মার্কিন গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেম এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে, ১১ মে মধ্যরাতের পর থেকে ১৩ মে’র মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানলে বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ থাকতে পারে ১৫০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। তবে এটি ভারতের ওড়িশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত হানার শঙ্কাও রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে নাম হবে ‘মোচা’। নামটি দিয়েছে ইয়েমেন। চারদিন আগে আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার অব কলকাতার কর্মকর্তা রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির অনুকূল থাকবে। তবে ঝড়টি কবে কোথায় তৈরি হবে তা এত আগে বলা সম্ভব নয়।

ঝড়টি তৈরি হলে তখন তার গতিপথ নির্দিষ্ট করে বলা যাবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছি। এর আগে, ২০২০ সালের মে মাসেও বাংলাদেশের উপকূলীয় কয়েকটি জেলা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানে একাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আয়লা, আমফানের মতো ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

১১ মে’র মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

আগামী ৯ থেকে ১১ মে’র মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘মোচা’। এটি ১১ থেকে ১৫ মে’র মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে মার্কিন গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেম এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে, ১১ মে মধ্যরাতের পর থেকে ১৩ মে’র মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানলে বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ থাকতে পারে ১৫০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। তবে এটি ভারতের ওড়িশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত হানার শঙ্কাও রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে নাম হবে ‘মোচা’। নামটি দিয়েছে ইয়েমেন। চারদিন আগে আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার অব কলকাতার কর্মকর্তা রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির অনুকূল থাকবে। তবে ঝড়টি কবে কোথায় তৈরি হবে তা এত আগে বলা সম্ভব নয়।

ঝড়টি তৈরি হলে তখন তার গতিপথ নির্দিষ্ট করে বলা যাবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছি। এর আগে, ২০২০ সালের মে মাসেও বাংলাদেশের উপকূলীয় কয়েকটি জেলা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানে একাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আয়লা, আমফানের মতো ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।