১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

ক্রু উদ্ধারের প্রচার-সাফল্য সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২ বার পড়া হয়েছে

রোববার ইরানের মিডিয়ায় প্রকাশিত চিত্রে দেখা যাচ্ছে সি-১৩০জে হারকিউলিস বিমানের ধ্বংসাবশেষ

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিঃসন্দেহে ভূপাতিত এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের ঘটনাকে একটি প্রচারণাগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরবেন। তবে ৪৮ ঘণ্টার এই নাটকীয় ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, পরাজিত না হওয়া ইরান এখনও পাল্টা আঘাত হানতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।

এটি হোয়াইট হাউসের জন্যও একটি সতর্কবার্তা হওয়া উচিত, যারা এখনও ভাবছে পারস্য উপসাগরের একটি দ্বীপ দখলের জন্য স্থল অভিযান চালানো হবে কি না, বিশেষ করে যদি ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার করার মতো উচ্চাভিলাষ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানে বোমা হামলা এতটাই একতরফা ছিল যে যুদ্ধ শুরুর পাঁচ সপ্তাহ পর একটি মাত্র যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়াও আমেরিকার জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

কারণ এমন ঘটনা খুবই বিরল এবং স্মরণীয়। সর্বশেষ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে শত্রুপক্ষের হাতে কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল।
এফ-১৫ই কীভাবে ভূপাতিত হয়েছে, তা পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে ঘটনাটি প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশসীমার আধিপত্য সম্পূর্ণ নিরঙ্কুশ নয়।

যদিও তারা প্রতিদিন ইরানে প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ বার বোমা হামলা চালাচ্ছে।
একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলের দাম প্রায় ৩১ মিলিয়ন ডলার, নতুন হলে ১০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে এর চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল উদ্ধার অভিযানটি, যেখানে প্রকৃত সমস্যার শুরু হয়।

ইসফাহানের দক্ষিণে একটি পরিত্যক্ত ইরানি বিমানঘাঁটিকে অগ্রবর্তী ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হয়, যখন দুটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান মাটিতে আটকে পড়ে।

বিডি পলিটিক্স/বিইউ

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্রু উদ্ধারের প্রচার-সাফল্য সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম

আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্প নিঃসন্দেহে ভূপাতিত এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের ঘটনাকে একটি প্রচারণাগত সাফল্য হিসেবে তুলে ধরবেন। তবে ৪৮ ঘণ্টার এই নাটকীয় ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, পরাজিত না হওয়া ইরান এখনও পাল্টা আঘাত হানতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।

এটি হোয়াইট হাউসের জন্যও একটি সতর্কবার্তা হওয়া উচিত, যারা এখনও ভাবছে পারস্য উপসাগরের একটি দ্বীপ দখলের জন্য স্থল অভিযান চালানো হবে কি না, বিশেষ করে যদি ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার করার মতো উচ্চাভিলাষ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানে বোমা হামলা এতটাই একতরফা ছিল যে যুদ্ধ শুরুর পাঁচ সপ্তাহ পর একটি মাত্র যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়াও আমেরিকার জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

কারণ এমন ঘটনা খুবই বিরল এবং স্মরণীয়। সর্বশেষ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে শত্রুপক্ষের হাতে কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল।
এফ-১৫ই কীভাবে ভূপাতিত হয়েছে, তা পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে ঘটনাটি প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশসীমার আধিপত্য সম্পূর্ণ নিরঙ্কুশ নয়।

যদিও তারা প্রতিদিন ইরানে প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ বার বোমা হামলা চালাচ্ছে।
একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলের দাম প্রায় ৩১ মিলিয়ন ডলার, নতুন হলে ১০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে এর চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল উদ্ধার অভিযানটি, যেখানে প্রকৃত সমস্যার শুরু হয়।

ইসফাহানের দক্ষিণে একটি পরিত্যক্ত ইরানি বিমানঘাঁটিকে অগ্রবর্তী ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হয়, যখন দুটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান মাটিতে আটকে পড়ে।

বিডি পলিটিক্স/বিইউ