০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

পর্যটন বিকাশে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

দেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে আগামী দুই দশকের জন্য একটি সমন্বিত ও কৌশলগত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা জানান। সকালের এই সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন খাতের পাঁচটি প্রধান প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

এগুলো হলো—পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, রন্ধনশৈলী পর্যটনের প্রসার, কমিউনিটি ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ এবং গ্রাম পর্যটনের উন্নয়ন।’ তিনি আরো বলেন, “দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার তৈরি, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উপকূলীয় এলাকাভিত্তিক পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার রূপরেখা রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। সব অঞ্চলে পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যটন উন্নয়নের লক্ষে প্রত্যেকটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

আরেক সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রসারে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।

বিশেষ করে বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোতে নারী শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বিডি পলিটিক্স/বিইউ

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

পর্যটন বিকাশে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা

আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে আগামী দুই দশকের জন্য একটি সমন্বিত ও কৌশলগত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা জানান। সকালের এই সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন খাতের পাঁচটি প্রধান প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

এগুলো হলো—পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, রন্ধনশৈলী পর্যটনের প্রসার, কমিউনিটি ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ এবং গ্রাম পর্যটনের উন্নয়ন।’ তিনি আরো বলেন, “দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার তৈরি, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উপকূলীয় এলাকাভিত্তিক পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার রূপরেখা রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। সব অঞ্চলে পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যটন উন্নয়নের লক্ষে প্রত্যেকটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

আরেক সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রসারে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।

বিশেষ করে বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোতে নারী শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বিডি পলিটিক্স/বিইউ