০৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

শাপলা চত্বরে আরও ৫৮ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / ৩ বার পড়া হয়েছে

২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে এখন পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৫ মে) চিফ প্রসিকিউট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের তিনটি স্থানে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকায় দিনে ও রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পরদিন নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

কয়েকজন ব্লগারের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ এবং নারী নীতির বিরোধিতাসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। সেদিন সারাদেশ থেকে ঢাকায় এসেছিলেন কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে খালি করা হয় শাপলা চত্বর।

এর আগে রোববার (৩ মে) চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেছিলেন, ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে ২০ জন এবং চট্টগ্রামে পাঁচজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আজ তিনি মোট ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্তের তথ্য দিলেন।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

শাপলা চত্বরে আরও ৫৮ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০৫:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে এখন পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৫ মে) চিফ প্রসিকিউট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের তিনটি স্থানে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকায় দিনে ও রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পরদিন নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

কয়েকজন ব্লগারের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ এবং নারী নীতির বিরোধিতাসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। সেদিন সারাদেশ থেকে ঢাকায় এসেছিলেন কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে খালি করা হয় শাপলা চত্বর।

এর আগে রোববার (৩ মে) চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেছিলেন, ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে ২০ জন এবং চট্টগ্রামে পাঁচজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আজ তিনি মোট ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্তের তথ্য দিলেন।