আবারও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী খেলোয়াড় রোনালদো, তিনে মেসি
- আপডেট সময় ০৫:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
সৌদি প্রো লিগ জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি দারুণ সুখবর পেলেন আল নাসরের পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
বিখ্যাত মার্কিন বাণিজ্য সাময়িকী ‘ফোর্বস’-এর করা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী ৫০ অ্যাথলেটের তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি।
২০২৩ সালে সৌদি আরবের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আয়ের দিক থেকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছেন ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা।
গত ১২ মাসে রেকর্ড ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি) উপার্জন করেছেন রোনালদো।
আয়ের এই বিশাল অঙ্ক তাকে ক্রীড়াবিদদের তালিকায় সবার ওপরের স্থানে অক্ষুণ্ন রেখেছে।
তালিকায় শীর্ষ পাঁচে জায়গা ধরে রাখলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদোর চেয়ে আয়ের দিক থেকে এবার বেশ পিছিয়ে আছেন লিওনেল মেসি।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক গত এক বছরে আয় করেছেন ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭২১ কোটি টাকা)। ফলে তালিকার তৃতীয় স্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ইন্টার মায়ামির এই তারকাকে।
রোনালদো ও মেসির মাঝখানে চমক দেখিয়ে দ্বিতীয় স্থানটি লুফে নিয়েছেন মেক্সিকান বক্সিং তারকা সাউল আলভারেজ। গত বছর রিংয়ের ভেতরে সময়টা খুব একটা মনের মতো না কাটলেও, আয়ের দিক থেকে তিনি পকেটে পুরেছেন ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খেলোয়াড়দের মাঠের ভেতরের চুক্তিভিত্তিক আয় (বেতন, বোনাস ও প্রাইজমানি) এবং মাঠের বাইরের বাণিজ্যিক আয় (স্পন্সরশিপ, বিজ্ঞাপন ও ব্যক্তিগত ব্যবসা); এই দুটি খাতের মোট অর্থ যোগ করে প্রতি বছর এই তালিকা তৈরি করে ফোর্বস।
তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানটি দখল করে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক দুই ক্রীড়া তারকা। লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমস ১৩৭.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে আছেন চার নম্বরে। আর বেসবল দুনিয়ায় ঝড় তোলা লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্সের জাপানি তারকা শোহেই ওহতানি ১২৭.৬ মিলিয়ন ডলার নিয়ে আছেন পঞ্চম স্থানে।
ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর (ট্যাক্স) এবং এজেন্ট ফি দেওয়ার আগে বিগত ১২ মাসে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ জন অ্যাথলেট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন। এই আয়ের সিংহভাগ অর্থাৎ ৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে মাঠের পারিশ্রমিক, বোনাস ও প্রাইজমানি থেকে। আর বাকি ১.১ বিলিয়ন ডলার এসেছে মাঠের বাইরের বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ ও বিভিন্ন ব্যবসা থেকে।




















