প্যারিস শিগগিরই মুসলিম শহরে পরিণত হবে : ট্রাম্প
- আপডেট সময় ০২:৪০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / ২ বার পড়া হয়েছে
ফ্রান্সে বিক্ষোভ, লুটপাট ও সহিংসতার পর সৃষ্ট অস্থিরতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, অভিবাসন অব্যাহত থাকলে প্যারিস শিগগিরই একটি ‘মুসলিম শহরে’ পরিণত হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁসহ ইউরোপীয় নেতাদের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প ফ্রান্সের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কঠোর না করার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সমালোচনাও করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সীমান্ত বন্ধ করার আহ্বান জানান। তবে প্যারিস শিগগিরই ‘মুসলিম শহরে পরিণত’ হবে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সোমবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্সে চলমান পরিস্থিতির পেছনে অভিবাসনই মূল কারণ। তিনি ম্যাখোঁকে সীমান্ত বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন বলেও জানান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে তিনি আগেই সতর্ক করেছিলেন বলে ট্রাম্প মন্তব্য করেন। তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষকে অবাধে প্রবেশ করতে দেওয়া একটি বড় ভুল।
এদিকে ফ্রান্সজুড়ে দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনার পর সেন্ট্রাল প্যারিসের কিছু অংশসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে রাতে কারফিউ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত প্লাস দে লা রিপাবলিক ও লে আল শপিং এলাকায় কারফিউ থাকবে। সপ্তাহান্তে এসব এলাকায় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিলেন।
এ ছাড়া শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার কয়েকটি স্থানে অনুমতি ছাড়া জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণের মার্সেই, বোর্দো, নিস ও লিওঁসহ বিভিন্ন শহর এবং উত্তরের লিল ও অন্যান্য শহরে তরুণদের চলাচল ও জনসমাগম সীমিত করার লক্ষ্যে আংশিক কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ স্বীকার করেন, কয়েকটি শহরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। গত মাসে শিক্ষার্থীদের উন্নত স্কুল পরিবেশের দাবিতে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। তবে পরে তা বিস্তৃত হয়ে বিভিন্ন দাবি আদায়ের আন্দোলনে রূপ নেয়। সপ্তাহান্তের বিক্ষোভে শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী গোষ্ঠী যোগ দেওয়ায় বিক্ষোভকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।





















