০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ইশরাকের পদত্যাগে ‘খুশি’ সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত, যা লিখলেন পোস্টে

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০২:১৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন এফ ড্যানিলোভিচ ও ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সঠিক ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন এফ ড্যানিলোভিচ। অস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ইশরাকের সমালোচনার মধ্যে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ড্যানিলোভিচ বলেছেন, সরকারের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তারেক রহমান আন্তরিক।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক।

পোস্টে জন এফ ড্যানিলোভিচ লেখেন, ‘ইশরাক হোসেনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের পর তাঁর পদত্যাগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি সর্বশেষ এমন একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা প্রমাণ করে নিজ সরকারের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে তারেক রহমান আন্তরিক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে অতীতের চেয়ে ভিন্ন পথে এগিয়ে নিতে তাঁর নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

জন এফ ড্যানিলোভিচ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ডেপুটি চিফ অব মিশন বা উপ-রাষ্ট্রদূত ছিলেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া চলছে।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় ইশরাকের একটি ব্যক্তিগত মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। তাঁর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে তিনি ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরার নির্দেশ দিচ্ছেন। এ সময় তাঁর দেহরক্ষীদের একজন তরুণকে লাথি মারেন এবং একজনকে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়েন ইশরাক।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ইশরাকের পদত্যাগে ‘খুশি’ সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত, যা লিখলেন পোস্টে

আপডেট সময় ০২:১৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সঠিক ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন এফ ড্যানিলোভিচ। অস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ইশরাকের সমালোচনার মধ্যে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ড্যানিলোভিচ বলেছেন, সরকারের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তারেক রহমান আন্তরিক।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক।

পোস্টে জন এফ ড্যানিলোভিচ লেখেন, ‘ইশরাক হোসেনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের পর তাঁর পদত্যাগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি সর্বশেষ এমন একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা প্রমাণ করে নিজ সরকারের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে তারেক রহমান আন্তরিক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে অতীতের চেয়ে ভিন্ন পথে এগিয়ে নিতে তাঁর নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

জন এফ ড্যানিলোভিচ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ডেপুটি চিফ অব মিশন বা উপ-রাষ্ট্রদূত ছিলেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া চলছে।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় ইশরাকের একটি ব্যক্তিগত মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। তাঁর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে তিনি ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরার নির্দেশ দিচ্ছেন। এ সময় তাঁর দেহরক্ষীদের একজন তরুণকে লাথি মারেন এবং একজনকে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়েন ইশরাক।