০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনীতি

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১২:২২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনীতি আমাদের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার রক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল

বাংলাদেশের রাজনীতি আমাদের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার রক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল।

এই রাজনীতি একদিন মহান নেতাদের আদর্শ, ত্যাগ এবং পারস্পরিক সম্মানের উপর দাঁড়িয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল। মতের ভিন্নতা ছিল, বিতর্ক ছিল, কিন্তু সেই বিতর্কের মধ্যেও এক ধরনের রাজনৈতিক শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকত।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা রাজনীতির ভাষা ও আচরণে একটি উদ্বেগজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে—রাজনীতিতে সিনিয়র–জুনিয়রের প্রতি সম্মান বজায় রাখা হচ্ছে না। মতের ভিন্নতাকে যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করার পরিবর্তে অনেকেই ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কটূক্তির পথে হাঁটছেন। এতে রাজনৈতিক পরিবেশ দিন দিন বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

রাজনীতি কখনোই গালাগালির মঞ্চ হতে পারে না। রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার এবং উন্নয়নের জন্য যুক্তির লড়াই। যখন রাজনীতির ভাষা অশালীন হয়ে পড়ে, তখন সমাজের ভদ্র, শিক্ষিত ও সৎ মানুষরা রাজনীতিতে আসতে ভয় পায়। এর ফলে রাজনীতি তার প্রকৃত নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে।

এই জায়গা থেকেই আমি বিশ্বাস করি—বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবারও মর্যাদা, শালীনতা এবং দায়িত্ববোধের জায়গায় ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। মতের ভিন্নতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে—কিন্তু তা হতে হবে যুক্তি, সভ্যতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।

আমি সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত), বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে স্পষ্টভাবে বলতে চাই—রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়; রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

আমাদের দল বিশ্বাস করে, রাজনীতিতে সিনিয়রদের সম্মান করতে হবে, জুনিয়রদের সুযোগ দিতে হবে এবং মতের ভিন্নতাকে শত্রুতা নয় বরং গণতন্ত্রের শক্তি হিসেবে দেখতে হবে।

আমার স্পষ্ট বক্তব্য: রাজনীতি যদি শুধু গালাগালি, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং ক্ষমতার দম্ভে ভরে যায়—তাহলে সেটা আর রাজনীতি থাকে না, সেটা জাতির জন্য একটি বিপজ্জনক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।

আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এই রাজনীতিও কারও বাপ–দাদার সম্পত্তি নয়। এখানে সম্মান রেখে কথা বলতে হবে, যুক্তি দিয়ে লড়তে হবে এবং মানুষের জন্য রাজনীতি করতে হবে।
বাংলাদেশের মানুষ এখন আর কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি চায় না। তারা চায় দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, শালীন ভাষা এবং সত্যিকারের জনমুখী রাজনীতি।

আমরা বিশ্বাস করি—সম্মান, ন্যায় এবং সমঅধিকারের রাজনীতি দিয়েই বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

“বাংলাদেশ চিরজীবী হোক”
সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত)
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি(বিইপি)
নিবন্ধন নং ৬২, প্রতিকঃ দোয়াত কলম

বিডি পলিটিক্স/বিইউ

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের রাজনীতি

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার

আপডেট সময় ১২:২২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতি আমাদের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার রক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল।

এই রাজনীতি একদিন মহান নেতাদের আদর্শ, ত্যাগ এবং পারস্পরিক সম্মানের উপর দাঁড়িয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল। মতের ভিন্নতা ছিল, বিতর্ক ছিল, কিন্তু সেই বিতর্কের মধ্যেও এক ধরনের রাজনৈতিক শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকত।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা রাজনীতির ভাষা ও আচরণে একটি উদ্বেগজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে—রাজনীতিতে সিনিয়র–জুনিয়রের প্রতি সম্মান বজায় রাখা হচ্ছে না। মতের ভিন্নতাকে যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করার পরিবর্তে অনেকেই ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কটূক্তির পথে হাঁটছেন। এতে রাজনৈতিক পরিবেশ দিন দিন বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

রাজনীতি কখনোই গালাগালির মঞ্চ হতে পারে না। রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার এবং উন্নয়নের জন্য যুক্তির লড়াই। যখন রাজনীতির ভাষা অশালীন হয়ে পড়ে, তখন সমাজের ভদ্র, শিক্ষিত ও সৎ মানুষরা রাজনীতিতে আসতে ভয় পায়। এর ফলে রাজনীতি তার প্রকৃত নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে।

এই জায়গা থেকেই আমি বিশ্বাস করি—বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবারও মর্যাদা, শালীনতা এবং দায়িত্ববোধের জায়গায় ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। মতের ভিন্নতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে—কিন্তু তা হতে হবে যুক্তি, সভ্যতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।

আমি সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত), বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে স্পষ্টভাবে বলতে চাই—রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়; রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

আমাদের দল বিশ্বাস করে, রাজনীতিতে সিনিয়রদের সম্মান করতে হবে, জুনিয়রদের সুযোগ দিতে হবে এবং মতের ভিন্নতাকে শত্রুতা নয় বরং গণতন্ত্রের শক্তি হিসেবে দেখতে হবে।

আমার স্পষ্ট বক্তব্য: রাজনীতি যদি শুধু গালাগালি, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং ক্ষমতার দম্ভে ভরে যায়—তাহলে সেটা আর রাজনীতি থাকে না, সেটা জাতির জন্য একটি বিপজ্জনক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।

আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এই রাজনীতিও কারও বাপ–দাদার সম্পত্তি নয়। এখানে সম্মান রেখে কথা বলতে হবে, যুক্তি দিয়ে লড়তে হবে এবং মানুষের জন্য রাজনীতি করতে হবে।
বাংলাদেশের মানুষ এখন আর কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি চায় না। তারা চায় দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, শালীন ভাষা এবং সত্যিকারের জনমুখী রাজনীতি।

আমরা বিশ্বাস করি—সম্মান, ন্যায় এবং সমঅধিকারের রাজনীতি দিয়েই বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

“বাংলাদেশ চিরজীবী হোক”
সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত)
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি(বিইপি)
নিবন্ধন নং ৬২, প্রতিকঃ দোয়াত কলম

বিডি পলিটিক্স/বিইউ