০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

তৃণমূলের দুর্গে হানা বিজেপির, এগিয়ে ১৯৬ আসনে

মিজানুর রহমান খান - বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৫:৪০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এসআইআর ইস্যু থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মুখোমুখি লড়াই, সব মিলিয়ে গোটা রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ভবানীপুর থেকে নন্দীগ্রাম, প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে কাঁটায় কাঁটায় টক্কর। তবে ট্রেন্ড অনুযায়ী সর্বত্রই এগিয়ে বিজেপি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে ১৯৬ আসনে, তৃণমূল ৯৩ আসনে, জাতীয় কংগ্রেস এবং সিপিআইএম এক এক আসনে এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্রদের ঝুলিতে দুই আসন এসেছে।

এটাই পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান সার্বিক চিত্র। তবে এই ট্রেন্ড দেখে এক বাক্যে বলা যায়, সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। তবে কত আসনে তা জানতে সন্ধ্যা হবে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপির একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীকে। শিবপুরে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, বরানগরে সজল ঘোষ, রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত, শ্যামপুরে অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়, শ্যামপুকুরে পূর্ণিমা চক্রবর্তী এগিয়ে রয়েছেন।

পাশাপাশি পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, আসানসোল দক্ষিণে ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল, ময়নাতে সাবেক ক্রিকেটার অশোক দিন্দা, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং এবং শিলিগুড়িতে শঙ্কর ঘোষও এগিয়ে।

এছাড়াও পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী তথা আরজি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার মা এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ।

অন্যদিকে শাসকদলের জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে একাধিক মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়া। শশী পাঁজা, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, পুলক রায়, মানস ভুঁইয়া, সাবিনা ইয়াসমিন, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, শ্রীকান্ত মাহাতো ও বীরবাহা হাঁসদা-সহ অন্তত ২৩ জন মন্ত্রী অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীদের থেকে।

একইভাবে ভবানীপুর আসনে, গণনার শেষের দিকে এগোচ্ছে ততই মমতার ভোটের মার্জিন কমছে। নয় রাউন্ডে যেখানে শুভেন্দুকে পিছনে ফেলে মমতার ২৪ হাজার ভোটে এগিয়েছিল। ১০ রাউন্ডে সেই ব্যবধান কমে হয়েছে ১২ হাজারের নিচে।

তবে এখনও বহু রাউন্ড গণনা বাকি। তাই প্রাথমিক ফল দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না পৌঁছনোর বার্তা দিয়েছে সব রাজনৈতিক দলই। এখন সবার নজর চূড়ান্ত ফলাফলের দিকেই।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

তৃণমূলের দুর্গে হানা বিজেপির, এগিয়ে ১৯৬ আসনে

আপডেট সময় ০৫:৪০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এসআইআর ইস্যু থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মুখোমুখি লড়াই, সব মিলিয়ে গোটা রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ভবানীপুর থেকে নন্দীগ্রাম, প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে কাঁটায় কাঁটায় টক্কর। তবে ট্রেন্ড অনুযায়ী সর্বত্রই এগিয়ে বিজেপি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে ১৯৬ আসনে, তৃণমূল ৯৩ আসনে, জাতীয় কংগ্রেস এবং সিপিআইএম এক এক আসনে এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্রদের ঝুলিতে দুই আসন এসেছে।

এটাই পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান সার্বিক চিত্র। তবে এই ট্রেন্ড দেখে এক বাক্যে বলা যায়, সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। তবে কত আসনে তা জানতে সন্ধ্যা হবে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপির একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীকে। শিবপুরে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, বরানগরে সজল ঘোষ, রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত, শ্যামপুরে অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়, শ্যামপুকুরে পূর্ণিমা চক্রবর্তী এগিয়ে রয়েছেন।

পাশাপাশি পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, আসানসোল দক্ষিণে ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল, ময়নাতে সাবেক ক্রিকেটার অশোক দিন্দা, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং এবং শিলিগুড়িতে শঙ্কর ঘোষও এগিয়ে।

এছাড়াও পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী তথা আরজি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার মা এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ।

অন্যদিকে শাসকদলের জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে একাধিক মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়া। শশী পাঁজা, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, পুলক রায়, মানস ভুঁইয়া, সাবিনা ইয়াসমিন, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, শ্রীকান্ত মাহাতো ও বীরবাহা হাঁসদা-সহ অন্তত ২৩ জন মন্ত্রী অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীদের থেকে।

একইভাবে ভবানীপুর আসনে, গণনার শেষের দিকে এগোচ্ছে ততই মমতার ভোটের মার্জিন কমছে। নয় রাউন্ডে যেখানে শুভেন্দুকে পিছনে ফেলে মমতার ২৪ হাজার ভোটে এগিয়েছিল। ১০ রাউন্ডে সেই ব্যবধান কমে হয়েছে ১২ হাজারের নিচে।

তবে এখনও বহু রাউন্ড গণনা বাকি। তাই প্রাথমিক ফল দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না পৌঁছনোর বার্তা দিয়েছে সব রাজনৈতিক দলই। এখন সবার নজর চূড়ান্ত ফলাফলের দিকেই।