বিসিবিতে ক্লিনারদের টাকা ‘হাওয়া’, ‘ক্লিনআপ’ মিশনে তামিম
- আপডেট সময় ০৫:৫৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রশাসনিক খোলনলচে বদলে যাওয়ার পর এবার বেরিয়ে আসছে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ সব অনিয়মের খতিয়ান।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল এবার হাত দিয়েছেন আর্থিক ব্যবস্থাপনায়।
আর সেখানেই উঠে এসেছে অভাবী ক্লিনারদের দৈনিক মজুরি থেকে অর্থ কেটে নেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম ইকবাল জানান, বিসিবির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নির্ধারিত বাজেটের বড় একটি অংশই মাঝপথে উধাও হয়ে যাচ্ছে।
সরাসরি মাঠ পর্যায়ে কথা বলে তিনি এই দুর্নীতির শেকড় খুঁজে পেয়েছেন।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তামিম বলেন, ‘আমি ক্লিনিং সার্ভিসের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম, তাকে প্রতি ক্লিনারের জন্য ৬৫০ টাকা করে দেওয়া হয়।
ব্যবসায়িক লাভ ও খরচ বাদ দিলেও একেকজন কর্মীর অন্তত ৫০০ টাকা পাওয়ার কথা। তখন ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি ৫০০ টাকাই দেন।
কিন্তু টাকাটা তিনি সরাসরি কর্মীদের না দিয়ে বিসিবির জনৈক কর্মকর্তার হাতে তুলে দেন। এরপর সেই কর্মকর্তা সেখান থেকে বড় অংশ রেখে দিয়ে অসহায় কর্মীদের হাতে মাত্র ৩০০ টাকা ধরিয়ে দেন।’
এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি পরিকল্পিত লুণ্ঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তামিম। তিনি জানান, বিসিবির এক শ্রেণির লোকই ক্লিনার সরবরাহ করছে এবং টেন্ডার পাওয়া কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে। মাঝখান থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাড়ভাঙা খাটুনি করা গরিব মানুষগুলো।
অ্যাডহক কমিটির এই সদস্যের এমন অভিযোগে বিসিবির ভেতরের সুশাসন ও তদারকি নিয়ে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বোর্ডের পক্ষ থেকে এই অনিয়ম নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তামিম ইকবালের এই শক্ত অবস্থান বিসিবির আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর পথে একটি বড় সংকেত।


















