০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

কারিগরি শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৫:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে কারিগরি শিক্ষায় সরকার জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশের বিশাল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশের বিশাল মানবসম্পদকে কাজে লাগানো সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার সুযোগ আরো সম্প্রসারণ করতে হবে। এরই অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও বাড়ানো হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না। দেশের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্মৃতি ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে দেশের তরুণদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ পর্যায়ে পরিবহন সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাবনা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের বিষয়েও কথা বলেন।

এ সময় ‘মায়ের ডাক’ প্রধান সমন্বয়ক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সানজিদা তুলি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে দলীয়করণের ঊর্ধ্বে গিয়ে সবাইকে কাজ করা জরুরি। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়।’

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও জুলাই নিয়ে মতবিরোধ নয়। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মৃতিকথা তুলে ধরেন বক্তারা।’

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

কারিগরি শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে কারিগরি শিক্ষায় সরকার জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশের বিশাল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশের বিশাল মানবসম্পদকে কাজে লাগানো সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার সুযোগ আরো সম্প্রসারণ করতে হবে। এরই অংশ হিসেবে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও বাড়ানো হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না। দেশের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্মৃতি ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে দেশের তরুণদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ পর্যায়ে পরিবহন সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাবনা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের বিষয়েও কথা বলেন।

এ সময় ‘মায়ের ডাক’ প্রধান সমন্বয়ক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সানজিদা তুলি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে দলীয়করণের ঊর্ধ্বে গিয়ে সবাইকে কাজ করা জরুরি। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়।’

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও জুলাই নিয়ে মতবিরোধ নয়। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মৃতিকথা তুলে ধরেন বক্তারা।’