০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নির্বাচন পর্যবেক্ষক হতে চায় ১৯৯টি সংস্থা

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩
  • / ৩৯ বার পড়া হয়েছে

দেশীয় ১৯৯টি সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। এগুলোর অধিকাংশই স্থানীয় পর্যায়ের সংস্থা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সহকারী জনসংযোগ পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১১৮টি সংস্থা নিবন্ধিত রয়েছে। এদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১১ জুলাই। তাই নতুন করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৯৯টি দেশীয় সংস্থা আবেদন করেছে। আর নির্ধারিত সময়ের পরে ১১টি সংস্থা আবেদন করেছে, এগুলো আমলে নেওয়া হয়নি।

আশাদুল হক জানান, নতুন করে যারা আবেদন করেছে এদের মধ্যে ৪০টি সংস্থার নিবন্ধন রয়েছে। অবশিষ্ট ১৫৯টি সংস্থা নতুন। অধিকাংশই স্থানীয় পর্যায়ের সংস্থা। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবেদগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সংসদীয় আসনের শুনানি এবং পাঁচ সিটি নির্বাচনের জন্য এ কার্যক্রম ঢিলেঢালাভাবে চলবে।

এদিকে, প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সংস্থাগুলোর তালিকা বিপরীতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কারো কোনো আপত্তি থাকলে শুনানি করে তা নিষ্পত্তি করা হবে। আর কোনো আপত্তি না পাওয়া গেলে বিজ্ঞপ্তির ১০ কার্যদিবস পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইসি। জানা গেছে, বর্তমানে যেসব সংস্থা নিবন্ধিত রয়েছে, এদের বেশিরভাগই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে ৬১টি সংস্থা। ফলে যারা নিবন্ধন নিয়েও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না, তাদের আর নিবন্ধন না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশিয় সংস্থার পাশপাশি বিদেশীয় সংস্থাগুলোকে অনুমতি দিয়ে থাকে। বিদেশি সংস্থাগুলো ভোটের আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করে। এখনও বিদেশি কোনো সংস্থা আবেদন না জানালেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য সিইসির সঙ্গে তিন দফায় সাক্ষাৎ করেছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন পর্যবেক্ষক হতে চায় ১৯৯টি সংস্থা

আপডেট সময় ১০:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

দেশীয় ১৯৯টি সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। এগুলোর অধিকাংশই স্থানীয় পর্যায়ের সংস্থা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সহকারী জনসংযোগ পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১১৮টি সংস্থা নিবন্ধিত রয়েছে। এদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১১ জুলাই। তাই নতুন করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৯৯টি দেশীয় সংস্থা আবেদন করেছে। আর নির্ধারিত সময়ের পরে ১১টি সংস্থা আবেদন করেছে, এগুলো আমলে নেওয়া হয়নি।

আশাদুল হক জানান, নতুন করে যারা আবেদন করেছে এদের মধ্যে ৪০টি সংস্থার নিবন্ধন রয়েছে। অবশিষ্ট ১৫৯টি সংস্থা নতুন। অধিকাংশই স্থানীয় পর্যায়ের সংস্থা। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবেদগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সংসদীয় আসনের শুনানি এবং পাঁচ সিটি নির্বাচনের জন্য এ কার্যক্রম ঢিলেঢালাভাবে চলবে।

এদিকে, প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সংস্থাগুলোর তালিকা বিপরীতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কারো কোনো আপত্তি থাকলে শুনানি করে তা নিষ্পত্তি করা হবে। আর কোনো আপত্তি না পাওয়া গেলে বিজ্ঞপ্তির ১০ কার্যদিবস পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইসি। জানা গেছে, বর্তমানে যেসব সংস্থা নিবন্ধিত রয়েছে, এদের বেশিরভাগই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে ৬১টি সংস্থা। ফলে যারা নিবন্ধন নিয়েও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে না, তাদের আর নিবন্ধন না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশিয় সংস্থার পাশপাশি বিদেশীয় সংস্থাগুলোকে অনুমতি দিয়ে থাকে। বিদেশি সংস্থাগুলো ভোটের আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করে। এখনও বিদেশি কোনো সংস্থা আবেদন না জানালেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য সিইসির সঙ্গে তিন দফায় সাক্ষাৎ করেছে।