ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৫:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
- / ০ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অবস্থিত ‘ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক’ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে পার্কটি পরিদর্শনে যান তিনি।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান।
এরপর মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই নিজে গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচিস্থলে যান। এ সময় তার পাশের আসনে বসা ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
কর্মসূচি শেষে সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রাপথে পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে, ফুল ছিটিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নেন।
দুপুরে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী পার্কের ভেতরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। পাহাড়, বন, জলাধার আর উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী বন্যপ্রাণীর এই জগৎ পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি এবং ডা. জুবাইদা রহমান পার্কের পরিদর্শন বইয়ে (স্মারক বই) স্বাক্ষর করেন।
দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতের জন্য কক্সবাজার পর্যটকদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় হলেও জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এই ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার দূরে চকরিয়া উপজেলায় পার্কটির অবস্থান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। পরে এটিকে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি শত শত বন্যপ্রাণীর এক অনন্য অভয়ারণ্য।













