০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ফারজানা বিনতে হোসাইন - স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনতে সরকার সব ধরনের কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কারণে ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।

আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতে শৃঙ্খলাকে যেকোনো মূল্যে ফিরিয়ে আনা। ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার সব রকমের উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার এরই মধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স রিকোয়েস্ট (MLAR) পাঠিয়েছে। এ ছাড়া ১৫টিরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টিরও বেশি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। দেশের মানুষের পাচার হওয়া সম্পদ আমরা ইনশাআল্লাহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনব।’

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনতে সরকার সব ধরনের কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কারণে ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।

আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতে শৃঙ্খলাকে যেকোনো মূল্যে ফিরিয়ে আনা। ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার সব রকমের উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার এরই মধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্টেন্স রিকোয়েস্ট (MLAR) পাঠিয়েছে। এ ছাড়া ১৫টিরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টিরও বেশি নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। দেশের মানুষের পাচার হওয়া সম্পদ আমরা ইনশাআল্লাহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনব।’