০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও পদ্মা সেতু রক্ষায় রিট

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও পদ্মা সেতু রক্ষায় রিট ফাইল ছবি

পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ এবং পদ্মা সেতু ও সংলগ্ন অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন রিটকারী মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থার (মওসুস) পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান আইনজীবী ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া।

বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

রিট পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

পাশাপাশি পদ্মা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

রিটে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অভিযোগ তদন্ত, দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
আইনজীবী ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া বলেন, পদ্মা নদী বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হলে নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও পদ্মা সেতু রক্ষায় রিট

আপডেট সময় ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ এবং পদ্মা সেতু ও সংলগ্ন অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন রিটকারী মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থার (মওসুস) পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান আইনজীবী ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া।

বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

রিট পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

পাশাপাশি পদ্মা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

রিটে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অভিযোগ তদন্ত, দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
আইনজীবী ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া বলেন, পদ্মা নদী বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হলে নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।