লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলাকেটে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত
- আপডেট সময় ০৫:৪০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের মা এবং দুই কন্যাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পৌর শহরের দেনায়েতপুর এলাকার একটি ভবন থেকে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ এবং একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অন্তর মজুমদার নামে এক ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় তিনি মারা যান। সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদারের বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচরে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই পরিবারটি এবং অভিযুক্ত ঘাতক একই ভবনে ভাড়া থাকতো।
হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন সদস্য হলেন- মা শাহীনুর বেগম (৩৫) এবং তার দুই মেয়ে ছায়মা (২১) ও সিফা (১৩)।
নিহত ছায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরেক মেয়ে ইকরা (১৭)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার হোমনা থানাধীন লটিয়া গ্রামে। নিহত শাহীনুরের স্বামীর নাম কামাল হোসেন ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। পরিবারটি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরের ধানহাটা এলাকায় ভাড়া থাকতো। প্লাস্টিক পণ্য হকারি করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো তারা।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, অন্তর নামে গণপিটুনিতে আহত একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় মারা গেছেন।
এর আগে সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) রাশেদুল জানিয়েছিলেন, তিনজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। অপর একজন গুরুতর আহত। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকেও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেটি এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।



















