তিস্তা ও নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং। বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানিসম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাংলাদেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীন সরকারের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিশেষ করে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আলোচিত ‘তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং ইতিবাচক সাড়া দেন এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
চীনের মন্ত্রী ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এবং গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অত্যন্ত বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বাংলাদেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নেও চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এসময় তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।


















