০৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

হুমকির খবরে কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

নিজস্ব সংবাদ দাতা
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি

ঢাকায় অবস্থিত দুটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় বারিধারা ও গুলশানের পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরো জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। আজ রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। তবে ই-মেইলগুলো ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান এডিসি আবুল খায়ের। প্রাথমিকভাবে এগুলো ভুয়া বা স্ক্যাম ই-মেইল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি দূতাবাসগুলো নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তর এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমকে বিষয়টি অবহিত করার পর দূতাবাসগুলোর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মনিটরিং আরো জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে আজ রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত চীন, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ ৪ দূতাবাসে এবং দেশের সরকারি কয়েকটি দপ্তরে চাঁদার দাবিতে ই-মেইল পাঠিয়ে হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ডিবিপ্রধান বলেন, একটি অপরাধী চক্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে ই-মেইল পাঠিয়ে কূটনৈতিক জোনের বিভিন্ন দূতাবাসে হুমকি দিচ্ছে এবং চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। এই চক্রটি সাধারণ ও নিরীহ মানুষের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠায়, যারা নিজেরাও জানে না যে তাদের নম্বর এই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ডিবিপ্রধান আরো বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এটি শুধু চাঁদাবাজি নয়, বরং কাউকে হয়রানি করা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে হতে পারে।’

এ ছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এই চক্রের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

হুমকির খবরে কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকায় অবস্থিত দুটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় বারিধারা ও গুলশানের পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরো জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। আজ রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। তবে ই-মেইলগুলো ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান এডিসি আবুল খায়ের। প্রাথমিকভাবে এগুলো ভুয়া বা স্ক্যাম ই-মেইল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি দূতাবাসগুলো নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তর এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমকে বিষয়টি অবহিত করার পর দূতাবাসগুলোর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মনিটরিং আরো জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে আজ রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত চীন, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ ৪ দূতাবাসে এবং দেশের সরকারি কয়েকটি দপ্তরে চাঁদার দাবিতে ই-মেইল পাঠিয়ে হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ডিবিপ্রধান বলেন, একটি অপরাধী চক্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে ই-মেইল পাঠিয়ে কূটনৈতিক জোনের বিভিন্ন দূতাবাসে হুমকি দিচ্ছে এবং চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। এই চক্রটি সাধারণ ও নিরীহ মানুষের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠায়, যারা নিজেরাও জানে না যে তাদের নম্বর এই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ডিবিপ্রধান আরো বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এটি শুধু চাঁদাবাজি নয়, বরং কাউকে হয়রানি করা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে হতে পারে।’

এ ছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এই চক্রের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।